
কুষ্টিয়ায় রং তুলির শেষ আঁচড় টেনে দেবী দুর্গাসহ সব প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ করার পর পহেলা অক্টোবর শনিবার মহাষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে দিবাগত রাতে প্রতিমা আসনে বসেছেন । এখন মণ্ডপগুলোতে রয়েছে নব নির্মিত প্রতিমা।আগামী ৫ অক্টোবর বুধবার দশমী পূজার মাধ্যমে এই প্রতিমা বিসর্জ্জন দেওয়া হবে। এদিকে শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মণ্ডপ ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে বাড়ানো হয়েছে বিশেষ নজরদারী।
কুষ্টিয়া জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর কুষ্টিয়া জেলার প্রায় ২৫০টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৮২টি, খোকসা উপজেলায় ৬৫টি, কুমারখালী উপজেলায় ৫৬টি, মিরপুর উপজেলায় ২৫টি, দৌলতপুর উপজেলায় ১৩টি এবং ভেড়ামারা উপজেলায় ৮টি পূজা মণ্ডপ রয়েছে।
কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়া সার্বজনিন মূজা মণ্ডপের প্রতিমা শিল্পী সাধন কুমার পাল বলেন, প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষ করার পর পহেলা অক্টোবর প্রতিমা আসনে বসেছে। প্রতিমাওগুলো সাজ সজ্যে সাজানো হয়েছে। প্রতিমা দেখতে সকাল থেকেই ভীড় বেরেছে দর্শনার্থীদের।
একই মন্দিরের পুরোহিত অরূন তরুন কুমার বাগচী বলেন , ১ অক্টোবর মহাষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা। মা দুর্গা এবার মর্তে আসছেন গজে, আর যাবেন নৌকায়। যা সবার জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। আমরা পূজার কাজ সম্পন্ন করে পূজা শুরু করেছি। দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জ্জন দেওয়া হবে।
কুষ্টিয়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জয়দেব কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘জেলার ২৫০টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রতিটি মন্দিরে পূজা শুরু হয়ে গেছে। প্রশাসনের পাশাপাশি আমরা স্বেচ্ছাসেবক রাখার ব্যবস্থা করেছি। সাধারন মানুষ
আনন্দের সাথে দূর্গা পূজা উদযাপন করছে।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) খাইরুল আলম বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে মণ্ডপ গুলোতে আনসার বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সেই সাথে টহল টিমও কাজ করছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)