
হিমালয়ের কোলঘেঁষা দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ৯টায় এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় । পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যেবক্ষণাগারের পর্যেবক্ষক মোঃ রোকনুজ্জামান দৈনিক একুশে নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আজ সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে, উত্তর হিমালয় থেকে বয়ে হিমেল বাতাসে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে এ জনপদে। কুয়াশায় ঠান্ডা বাতাস শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। সকাল ৯টা পর্যন্ত শীত নিবারণের জন্য আগুন পোহাতে হচ্ছে নিম্নআয়ের মানুষদের। এছাড়া হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলতে দেখা গেছে। তবে সূর্য উঠলেই ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝলমলে কুয়াশা মিশ্রিত রোদ উঠলেও উত্তাপ ছড়ায় না। বিকেলে গড়াতেই তাপমাত্রা কমে গিয়ে আবারও শীতের আমেজ শুরু হয়।
তেঁতুলিয়ার ভ্যানচালক মো: সিদ্দিক হোসেন বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে শীত পড়ছে। খুব সকালে ভ্যান নিয়ে বের হতে পারি না ঠান্ডার কারণে। বর্তমানে চাল-ডালসহ সব জিনিসের দাম খুব বেড়েছে কিভাবে অভাবের সংসার চালাবো। আর শীতবস্ত্র কিনবো বুছতে পারছি না।’
পাথর শ্রমিক মো:রাকিব বলেন ‘শীতের কারণে পাথর উত্তোলন করতে সমস্যা হচ্ছে। এর ফলে আয়-রোজগার কমে গেছে। এবারের শীত কীভাবে পার করবো জানি না।
মুদির দোকানদার মো:আবুল কালাম আজাদ বলেন শীতের কারণে সকালে বাজারে লোকজন খুব কম আসে। আর রাতে ৮ টার কাস্টমার না থাকায় দোকান পাট বন্ধ করে দিতে হয় । দ্রব্য মূল্যের দাম বাড়াতে আগের থেকে বেঁচে কেনা কম হয় ।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)