
লালমোহনে প্রতিবন্ধীদের জমি জবরদখল করে দীর্ঘদিন যাবত ভোগ দখল করে আসছে একই বাড়ির প্রভাবশালী ওহাব আলী ও মফিজুল ইসলাম আঃ আলী গংরা।
জানাযায়,উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের রহিমপুর ১ নং ওয়ার্ডের রোসনেগো বাড়ির বাক প্রতিবন্ধী মালেকা খাতুন গংদের ওয়ারিশি ১ একর ৪৪ শতাংশ জমি জোরপূর্বক ভাবে দখল করে ভোগ করে আসছে একই বাড়ির প্রভাবশালী ওহাব আলী, মফিজল ইসলাম, আঃ কাদের,আঃ আলী, আঃ রহিম,আবুল হাসেম,আব্দুল মুনাফ এরা কোন বিচার ফয়সালা মানেনা।
দীর্ঘ ২০ বছর আগে প্রতিবন্ধী মালেকা খাতুনের মা ফিরোজা খাতুন বাদী হয়ে একটি দেওয়ানীমোকদ্দমা করেন যার নং- দেং ২/৯৬ সে মামলায় উভয় পক্ষের কাগজ পত্র পর্যালোচনা করে আদলত গত ২৯/৬/২০৩ সালে বাদীর পক্ষে রায় প্রদান করেন। যেহেতু বিবাদী পক্ষের দাবিকৃত দেওয়ানি ২১/৫৮ নং মোকদ্দমার আরজিতে যে পাট্রা জমির হাল খতিয়ান ৪২০/১ উল্লেখিত করিয়াছেন কিন্তু আর এস ৪২০/১ খতিয়ানের কোন অস্তিত্ব বিবাদী পক্ষ প্রমাণ করিতে না পারায় মহামান্য আদালত দেওয়ানি ২১/৫৮ নং মোকদ্দমা বিগত ৩০/১/১৯৫৯ তারিখে ছলের সূত্রে রায় তাম্বুলিয় ২৬/০৩/১৯৫৯ ইং তারিখে ছলে সূত্রে ডিগ্রি বাদী পক্ষের উপর বাদ্র্যকর নহে মর্মে ঘোষণা মূলক ডিগ্রি প্রদান করেন। উক্ত মোকদ্দমার রায় ও ডিগ্রির বিরুদ্ধে বিবাদী পক্ষ দেওয়ানি আপিল ৭৩/২০০৩ ইং নং মোকদ্দমা রুজু করেন। তাহাতে উক্ত আপিল মোকদ্দমাটি বিগত ১৩/০৯/২০১২ ইং তারিখে তদ্ববীরের অভাবে মহামান্য আদালত মামলাটি খারিজ করেন। তার পরও অত্যাচারি জুলুমবাজ ওহাব আলী গংরা সে রায় অমান্যকরে সে জমি এখনো ভোগ দখল করে আসছে।
এর মধ্যে বাদী মারা যান তার এক ছেলে মোঃ ছলেমান মেয়ে অন্ধ মজুফা খাতুন,অপর মেয়ে বাক প্রতিবন্ধী মালেকা খাতুনকে রেখে। কিছুদিন পরে উক্ত জমি ছাড়ার কথা হলেও এর মধ্যে ওহাব আলী গংরা চতুরতার বশে জমি না দেয়ার চেষ্টা করে বাক প্রতিবন্ধী মালেকা খাতুন গংদের সহ মোট ৪২ জনকে বিবাদী করে একটি দেওয়ানীমোকদ্দমা করেন যার নং - দেওয়ানী নং- ৫০/২০১৮ এর মধ্যে অন্ধ মফুজা খাতুনও মারা যান।
এখন তাদের অসহায় পরিবার অতি দারিদ্রতা সাথে বসবাস করে আসছে।
এ ঘটনায় মৃত মফুজা খাতুনের মেয়ে মোসাঃ রেনু বেগম অভিযোগ করে জানান, আমাদের ওয়ারিশি সম্পত্তি ওহাব আলী গংরা দীর্ঘ দিন যাবৎ জোরপূর্বক ভাবে দখল করে আসছে। আমরা গরিব মানুষ হওয়ার কারনে কোথাও কোন বিচার ফয়সালা পাইনা। এরা কোনরকম বিচার ফয়সালা মানেনা। আমরা এর উপযুক্ত ফয়সালার মাধ্যমে জমির বুঝ পাওয়ার আবেদন করছি।
অপরদিকে অভিযুক্ত শফি দফাদার জানান,আমরা হবিগঞ্জ মৌজার আর এস ৪২০ খতিয়ানের ১একর ২৪ জমির মালিক আমরা আমাদের জমি ভোগ দখলে আছি। এখন যদি কেউ আমাদের কাছে জমি দাবি করে, তাহলে আমাদের জমি মেপে দখলে বেশি থাকলে নিবে আমাদের কোন আপত্তি নাই।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)