
নড়াইল সদর উপজেলার কুড়িগ্রামের হাওয়া বেগমকে পারিবারিক বিরোধের কারণে তার মেয়ের জামাই আসাদ মোল্যা ওরফে মদন ও মেয়ে স্বপ্না বেগম মিলে দীর্ঘদিন ধরে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ জানুয়ারী বিকাল ৩ ঘটিকার সময় হাওয়া বেগমের মেয়ের জামাই মদন ও মেয়ে স্বপ্না বেগম হাওয়া বেগমের বাড়িতে আসে এবং তাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে মারতে উদ্যত হয় এবং তার গোসলখানার বেড়া কেটে দিয়ে গোসল রত অবস্থায় বেসামাল করে দেয় । জামাই মদনকে হাওয়া বেগম গালি গালাজ করতে নিষেধ করলে খুন ও জখম করতে যায় ও হাওয়া বেগমের ঘর ভাংচুর করে।
হাওয়া বেগম বলেন, আমি আমার জামাই মদনের কাছে দুই লক্ষ টাকা পাবো আর সেই টাকা চাওয়ার জন্য আমাকে দীর্ঘদিন যাবত এমন অত্যাচার ও গালিগালাজ করে আসছে। আমি ওদের অত্যাচারের হাত থেকে বাচতে চাই । আমি আমার মেয়ের জামাই মদন ও মেয়ে স্বপ্না বেগম বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। এই অভিযোগ দায়েরের পর অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে গিয়েছে। মদন তার ছেলেকে দিয়ে আমার পানির পাত্র ও তরকারিতে প্রসব করিয়ে দেয়। আমি এখন আমার ঘরে থাকতে পারতেছি না। আমি এসপি স্যারের কাছে গিয়েছিলাম বিচার চাইতে তিনি এ বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। ওরা আমাকে মেরে ফেলতে চাই।। আমি আমার জামাই মদন ও মেয়ে স্বপ্নার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি।
এবিষয়ে নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহমুদুর রহমান বলেন মামলা হলে অবশ্যই ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)