
কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গ ধানের চারায় উপর বিষ প্রয়োগ করে তা একবারে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনা টি ঘটে ১০নং বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের ৫,৮নং ওয়ার্ডে। রাতের আঁধারে এই হিংসাত্মক মুলক কাজ করায় বিপাকে পড়েছে এ সব চারার কৃষক গণ। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় ২০_২৫ বিঘা জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েক বছর ধরে ঝামেলা চলে আসছিল।
তারি ধারাবাহিকতায় এমন জঘন্য কাজ করেছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখা যায়,চারা রোপণ করার জন্য জমি পানি ও হাল চাষ করে তৈরি করা হয়েছে।চারা পুড়ে গিয়েছে তা জমিতে লাগানো অল উপযোগী অনুপযোগী,চারার এই অবস্থা দেখে কৃষকদের কান্নায় আকাশ ভারী হয়ে গেছে।কৃষক সিরাজ আলী বলেন আমি ৪ বিঘা জমিতে পানি দিয়ে চাষ করে চারা রোপণের জন্য রেডি করে রেখেছি পরের দিন চারা তুলতে গিয়ে দেখি আমাদের প্রতিপক্ষ লোকজন রাতের আঁধারে চারার উপর বিষ প্রয়োগ করে তা একবারে নষ্ট করে দিয়েছে।কৃষক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলী জানান আমার ৩ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপণের উপযোগী করে তুলেছি ,কেবা কাহার আমার এত বড় ক্ষতি করলো তা বুঝতেছিনা। এই চারা নষ্ট হওয়ার কারনে বিপাকে পড়েছে কৃষকেরা, পাগলের মতো ছুটে চলেছে ধানের চারার খোঁজে। ধানের চারা না পেলে ২০-২৫ বিঘা জমি পতিত পরে থাকবে, একদিকে যেমন ঐ অঞ্চলে খাদ্যের ঘাটতি দেখা দিবে। আবার ঐ কৃষকেরা খুব কষ্টে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে জীবন যাপন করবে।কৃষক জলিল এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন আমরা এখানে ১৫-২০ টি পরিবার।
প্রায় ৬০ বিঘা জমির জন্য সরকারের দেওয়া ধান বীজ রোপণ করি কিন্তু আমাদের প্রতিপক্ষ গন রাতের আঁধারে এই ধানের চারা গুলো নষ্ট করে।এই সোনাহাট ইউনিয়নের বিএস বাশার এর সাথে কথা হলে, তিনি বলেন আমি সরজমিনে গিয়ে দেখেছি বিষয়টি খুবই দুঃখজনক আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। চেয়ারম্যান মায়নুল ইসলাম লিটন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান দীর্ঘদিন ধরেই এই জমি নিয়ে ধন্দ,যারা জমিতে ধানের বীজ ফেলেছে তারা উচ্চ আদালতে ৩ বার রায় পেয়েছে। এই বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন থানায় অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় এনে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)