
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ও কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত দোছড়ি, আসারতলী, মৌলভীকাটা, চাক ঢালা, কম্বনিয়া, জুমছড়ি, ফুলতলী, ঘুমধুম, তুমব্রো, জামছড়ি সহ আরও বিভিন্ন ধরনের এলাকা দিয়ে শুরু হচ্ছে বিপুল পরিমাণে প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে গরু - মহিষ চালান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় স্থানীয় কিছু গরু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে মায়ানমার থেকে গভীর রাতে গরু - মহিষ এনে বাংলাদেশে গরু পাচার করে থাকে। এবং স্থানীয় কৃষকের ফসলের উপর দিয়ে গরু পাচার করায় কৃষকের ফসল আদি নষ্ট করে পেলে।
এবং আরো জানান শুধু গরু ও মহিষ নয়। গরুর ও মহিষের সাথে আরও বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও ইয়াবা সহ পাচার করতেছে স্থানীয় গরু ও ইয়াবা পাচার কারিরা।
আরও জানান দীর্ঘদিন ধরে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির অধিনে অবৈধ গরু - মহিষ এবং ইয়াবা পাচার কারিদের ধরার জন্য উদ্ধারের কাজ চালাই। এতে মালিক বিহীন প্রচুর পরিমাণ প্রতিনিয়ত গরু - মহিষ জব্দ করে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবি।
নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির অধিনায়ক জানান খুব দ্রুতার সাথে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ চোরা চালান করা ব্যক্তিদেরকে ধরানোর জন্য নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির অধিনে কয়েকটি টিম উদ্ধারের কাজ চালাই। এতে মালিক বিহীন প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে প্রবেশ করা গরু- মহিষ জব্দ করা হয়। এতে জব্দ করা গরু - মহিষ কাস্টম ভ্যাট সহ সরকারি মূল্য নির্ধারণ করে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয় বলে জানান।
এবং আরও জানান নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির অধীনে কঠোর ভাবে অবৈধ চোরা কারবারিদের উপর নজর রাখায় আগের চেয়ে কমিয়ে আচ্ছেন বলে জানান।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)