
মাত্র কয়েকদিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। বিশ্বের অন্য মুসলমানদের সঙ্গে বাংলাদেশের মুসলমানরাও মাসব্যাপী পালন করবেন ধর্মীয় আচার। যদিও এই মাসের মূল তাৎপর্য হচ্ছে, বিলাসিতা পরিহার করে নিজের ভোগ বা চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করা। তারপরও এ মাসের ভোগ্য পণ্যের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে।
বিশেষ করে, ভোজ্য তেল, ছোলা, ডাল, মটর, পেঁয়াজ, মসলা, চিনি ও খেজুরের চাহিদা বাড়ে দ্বিগুণেরও বেশি। মানুষ চাহিদার অতিরিক্ত পণ্য কেনার প্রবণতার সুযোগে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করাই। ব্যবসায়ীদের একটি শ্রেণী যে যার মত নিত্যপণ্যের দাম বাড়াতে থাকে। অন্যদিকে রমজান ও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে ওঠে চুরি- ছিনতাই, জাল নোটের প্রচলন, অজ্ঞান পার্টির তাৎপরতা ও ডাকাত চক্রগুলো। এই চক্রের খপ্পরে পড়ে, ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা হন সর্বশান্ত। আর পুলিশ বলছে, আতঙ্কিত হবার কিছু নেই। ইতিমধ্যেই অপরাধ প্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে পুলিশ নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। যে কোনো অপতৎপরতা রুখতে প্রস্তুত পুলিশ বাহিনী। এই আশ্বাসকে সামনে রেখে নিশ্চিন্তে ব্যবসা পরিচালনা করতে চান ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সড়কে চলাচল কতটুকু নিরাপদ রাখতে পারবে, ক্রেতারা কতটুকু বাজারমুখী হবে। তা সময়ই বলে দিবে। কোন শঙ্কা ছাড়াই যখন ক্রেতারা বাজার মুখি হবে। তখন বেচাকেনা বাড়বে।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)