
দেশ যখন উন্নয়নের মহাসড়কে, তারেই ধারাবাহিকতায় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে লালমনিরহাট সদরে। তবে সদর উপজেলায় প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি বলে সদর উপজেলা বাসীর দাবি। সদর ৩ আসনে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য না থাকায় কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি বলে মনে করেন সুশীল সমাজ।লালমনিরহাট সদর তথা জেলাব্যাপী যার তৎপরতায় মুখরিত হয়। আন্দোলিত হয় নিপীড়িত এই জনপদ। লালমনিরহাট জেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির নেপথ্যে থাকা পাওয়ার হাউজ আওয়ামী রাজনীতির এক মহাকাব্যিক চরিত্রের নাম এডঃ মতিয়ার রহমান। তার সততা, দক্ষতা,ও বিচক্ষণতায় মু্গ্ধ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও। তার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড ও দক্ষ নেতৃত্বের কারনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় ক্ষেত্রে তার ধারের কাছে ও নেই কোন নেতা বলে মনে করেন তৃনমূল উন্নয়ন প্রত্যাশী জনগণ। ইতিমধ্যে সর্ব স্তরের আস্থার প্রতিকে পরিনত হয়েছেন অ্যাড: মতিউর রহমান। জেলার সকল নজির বিহীন উন্নয়নের পিছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন এই রাজনৈতিক নেতা। দৃশ্যমান সকল উন্নয়ন মূলক স্হাপনার মূল চাবিকাঠি হিসেবে বার বার ভেসে আসে এড: মতিয়ার রহমানের নাম। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যখন প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেন, পুরো জেলাই তো আপনাকে ছেড়ে দিয়েছি, তখন বুঝার বাকি থাকে না এড: মতিয়ার রহমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কতটা আস্থাভাজন। ১৯৭০ এর নির্বাচনে সময়ে বঙ্গবন্ধুর চেতনায় অনুপ্রানিত হয়ে রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশ করেন লালমনিরহাট জেলার এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এডভোকেট মতিয়ার রহমান।
১৯৭০ সালের ৭ই ডিসেম্বর পাকিস্থানের প্রথম ও শেষ সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে জয়লাভ করে। ক্ষমতা হস্তান্তর কে ঘিরে পাকিস্থানীদের টালবাহানা পরবর্তীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের রুপরেখা আরো বেগবান করে।সেই উত্তাল পরিস্থিতিতে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্র মতিয়ার রহমান নৌকা মার্কার নির্বাচনি প্রচারনায় অংশ নেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেন। ১৯৭৭ সালে জেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ লালমনিরহাট সরকারী কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে তার ছাত্র রাজনীতির বিচক্ষন নেতৃত্বের ফলস্বরুপ জেলার ছাত্র রাজনীতির নীতি নির্ধারক বৃন্দ মতিয়ার রহমান কে ১৯৭৯ সালে লালঃ সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে তার মেধা মনন সৃজনশীলতা ত্যাগ সংগঠনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও বিচক্ষনতার কথা মাথায় রেখে জেলার তৃণমূল ছাত্রলীগ কর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালের পূর্বেই মতিয়ার রহমান আইনজীবী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং একই সালেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসেবে এডঃ মতিয়ার রহমান সুদীর্ঘকাল আওয়ামী রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। ২০০৬ সালে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগ এর তৃণমূল কর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১২ সালে দ্বীতিয় মেয়াদে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনোনীত হন। ২০১৯ সালে জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে তৃতীয় মেয়াদে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে স্বপদে বহাল হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।রাজনৈতিক মামলা ও বিএনপি জামায়াত জোট কতৃক বিভিন্ন সময় নির্যাতন ও হামলার স্বীকার হন এই জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা। বিভিন্ন সময়ে তার নামে দায়ের করা রাজনৈতিক মামলার সংখ্যা ৪৫ টির উপরে। যার সবগুলো তেই মহামান্য আদালত তাকে বেকুসুল খালাস প্রদান করেছেন। ১৯৭৯ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় তার উপর নৃশংস হামলা চালায় বিএনপির ক্যাডাররা। সেই সময় দীর্ঘ ৩৮ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্বৈরাচার শাসক এরশাদের সময় তার নামে একাধিক মামলা দায়ের করা হয় এবং ফেরারী জীবন যাপন করতে বাধ্য করা হয়।২০০২ সালে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবক্ষয় ঘটলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বিএনপির সন্ত্রাসীরা আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে আইনজীবী মতিয়ার রহমান কে অপহরন করে এবং পরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। একই সালে এডঃ মতিয়ার রহমান বাসভবনে বিএনপি ক্যাডাররা হামলা চালিয়ে ঘড়বাড়ি ভাংচুর করে গৃহের সমস্ত মালামাল কে গণিমতের মাল বলে লুট করা হয়। বিএনপির সন্ত্রাসীরা এডঃ মতিয়ার রহমান এর একমাত্র শিশুকণ্যা সেঁজুতির গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে গোটা পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে।২০০২ সালে পুলিশ কতৃক গ্রেফতার হবার পর তার উপর ডিটেনশন নব্বই দিনের আগে জামিন নিষেধ চার্জ করা হয়। নব্বই দিন পর মহামান্য হাইকোর্ট আইনজীবী মতিয়ার রহমান কে জামিনের আদেশ প্রদান করেন । জামিনে মুক্ত হবার জেলগেট থেকে পুনরায় এডঃ মতিয়ার রহমান কে পুলিশ গ্রেফতার করেন। গ্রেফতার হবার পর এডঃ মতিয়ার রহমান এর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করা হয় এবং এডঃ মতিয়ার রহমান এই দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের বিরুদ্ধে আপিল করলে মহামান্য আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেন এবং বিএনপি জামায়াত কতৃক দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আদেশ প্রদান করেন। লালমনিরহাট জেলা পরিষদ প্রশাসক চেয়ারম্যান হিসেবে জননেতা এডঃ মতিয়ার রহমান এর গৃহীত বিশেষ নজীর বিহীন কর্মকান্ড করেছেন তিনি। ২০১২ সালে জেলা পরিষদ লালমনিরহাট এর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বগ্রহনের পর জীর্ণ ধ্বংশকায় ও বিদ্ধস্ত একটি প্রতিষ্ঠান কে ধ্বংশস্তুপ থেকে তুলে এনে নাগরিক পরিসেবার তিলোত্তমা একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছেন এডঃ মতিয়ার রহমান। জেলার সকল মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, অনুদান প্রদান, জাতীর জনকের ঐতিহাসিক ম্যূরাল নির্মান, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার, কবরস্থান, ঈদগাহ সংস্কার ও নির্মান, দুটি শীততাপ নিয়ন্ত্রক অডিটোরিয়াম, তিনটি নতুন ডাকবাংলো সহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের একান্ত প্রচেষ্টায়। সদর উপজেলা বাসীর স্বীকার করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাদের অনেক দিয়েছেন। আপনি ছাড়া আর কেউ দেয় না। আমাদের শেষ চাওয়া, আমাদের প্রানের দাবি, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদর ৩ আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে উন্নয়ন ও দলের স্বার্থে এডভোকেট মতিয়ার রহমান কে নৌকা মার্কার মনোনয়ন দিয়ে আমাদের চির ঋণী করে রাখবেন বলে প্রত্যাশা করেন তৃনমূল জনগণ।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)