
১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জয় পেলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ক্ষমতা হস্তান্তর না করে একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী বাঙালিদের ওপর অতর্কিত গণহত্যা অভিযান ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরু করে। সেনা অভিযানের শুরুতেই হানাদার বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের আগে বঙ্গবন্ধু ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং যে কোনো মূল্যে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। মুহূর্তের মধ্যেই বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণা ওয়ারলেসের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তৎকালীন ইপিআরের ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে সারা দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধুর ঘোষণাটি ছিল এমন—‘ইহাই হয়তো আমাদের শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে, যে যেখানে আছে, যাহার যাহা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করো। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।
তারই ধারাবাহিকতায়, কুমারখালীতে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস ২০২৩ পালন উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গন কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন কুমারখালী উপজেলা প্রশাসন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল মান্নান খান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিতান কুমার মন্ডল, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিরুল আরাফাত, বীরমুক্তিযোদ্ধা এটি এম আবুল মনসুর মজনু, বীর মুক্তিযোদ্ধা চাঁদ আলী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান লালু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মেরিনা আক্তার মিনা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আকুল উদ্দিন, কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোহসীন হোসাইন সহ উপজেলা প্রশাসনের দাপ্তরিক অফিসার বৃন্দ।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)