
পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার বাউফল পৌরসভায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। তীব্র গরম ও তাপদাহ উপেক্ষা করে বাউফল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম থেকে সর্বস্তরের মানুষ আসছেন ঈদের কেনাকাটা করার জন্য। বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, দোকানে দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদের আনন্দ সবার মধ্যে ভাগাভাগি করে নেওয়া এবং প্রিয়জনকে খুশি করার জন্য তীব্র গরম অপেক্ষা করেও মানুষ দূর দূরান্ত থেকে আসছে ঈদের কেনাকাটা করার জন্য। প্রিয়জনের পছন্দের পোশাক ক্রয় করার জন্য গার্মেন্টস ও কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের আনাগোনা চোখে পড়ার মত। বিভিন্ন কাপড়ের দোকান মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় আবহাওয়া ভালো থাকার কারণে তাদের বেচা বিক্রি এ বছর মোটামুটি ভালো। সারাদিন রোজা রেখে ও তীব্র গরমে একটু কষ্ট হলেও বিক্রির পরিমাণ ভালো হওয়ার কারণে তারা খুশি।
তবে এ নিয়ে অনেকের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বাউফল পৌরসভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে হোমায়রা গার্মেন্টসের মালিক মোঃ রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন তীব্র গরম, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং কাপড়ের দাম বেশি হওয়ার কারণে বেচা বিক্রির পরিমাণ কিছুটা কম। যার পাঁচটা কেনার প্রয়োজন সে কিনছে দুইটা। তারপরও সব মিলিয়ে বেচা বিক্রি মোটামুটি ভালো। ক্রেতাদের অভিযোগ এ বছর কাপড়ের দাম একটু বেশি। যার কারণে তারা তাদের সাধ্যমত কাপড় ক্রয় করতে পারছেন না। তারপরও তীব্র গরম উপেক্ষা করে দোকানে দোকানে ঘুরে তারা প্রিয়জনের জন্য সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক ক্রয় করে নিচ্ছেন।
কাপড়ের দোকানের পাশাপাশি জুতার দোকান ও কসমেটিক্স দোকানগুলোতে ক্রেতাদের প্রচুর সমাগম লক্ষ্য করা যায়।
মার্কেট করতে গিয়ে অনেক সময় দেখা যায় ইফতারের সময় হয়ে গেলে দোকানদার ও ক্রেতারা একসাথে সবাই মিলে ইফতারি করছেন। এতে দোকানদার ও ক্রেতাদের মধ্যে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ভ্রাতৃত্বের পরিচয় ফুটে ওঠে।
আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকার কারণে অনেক রাত অবধি মার্কেট খোলা রাখছেন দোকানীরা এবং ক্রেতারাও নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করছেন। এখন পর্যন্ত চুরি, ছিনতাই বা কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)