
লালমনিরহাট সদর উপজেলার পৌর এলাকায় বসবাসকারী আওয়ামীলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন সুমন খান গরীব, অসহায় ও
সুবিধা বঞ্চিত মানুষের একমাত্র ভরসার স্থলে পরিনত হয়েছে। মানব সেবা করা যার একমাত্র নেশা। অনুসন্ধানী মূলক প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে লালমনিরহাট জেলায় গরীবের রবিন হুড সাখাওয়াত হোসেন সুমন খানের রাজনৈতিক পরিচয়। লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মতিয়ার রহমান বলেন, সেই ন্যাংটা কাল থেকে, হাফপ্যান্ট যখন পরতো সেই সময়ে সুমন খানকে জয় বাংলার স্লোগান দেওয়া শিখিয়েছি। ছাত্র জীবনে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন সুমন খান। হাই স্কুলে পড়া অবস্থায় ছাত্রলীগের আদর্শ বুকে লালন করে দূসময়ে মাঠে থেকে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।
পরবর্তী সময়ে ছাত্রলীগের জমকালো সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছিলেন পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি। পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করার জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছেন সাবেক এই ছাত্রনেতা। পৌর ছাত্রলীগের পর রাজনীতিতে একধাপ এগিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সহ -সভাপতি নির্বাচিত হয়ে জেলা ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করবার জন্য ছুটে বেড়িয়েছেন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। ছাত্রলীগ থেকে আওয়ামীলীগ গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পৌর আওয়ামী লীগের ৮নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে জেলা আওয়ামীলীগের উপ প্রচার সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘ সময় সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন আওয়ামী লীগের এই উদীয়মান তরুণ নেতা। রাজনীতি করতে গিয়ে বার বার অসংখ্য হামলা, মামলা, বাড়িতে অগ্নি সংযোগ,জেল জুলুম সহ নানা হয়রানির শিকার হয়েছিলেন এই রাজনৈতিক নেতা।
রাজনৈতিক জটিলতা আর দলীয় কোন্দলের কারনে দীর্ঘ সময় ছিলনা লালমনিরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি। কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দলীয় নির্দেশনায় গঠিত হয় সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটি, সেই কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন সাখওয়াত হোসেন সুমন খান। সর্বশেষ জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে দায়িত্ব পান জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে। শ্রমিকদের দাবি আদায়ে সব সময় সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা। দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘ দিন থেকে জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। রাজনীতির পাশাপাশি জেলায় প্রতিষ্ঠিত বেশ কিছু সামাজিক সংগঠনের মুল ধারায় নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন এই মানুষটি।
লালমনিরহাট শহরের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীক পরিবারে জন্ম হওয়ার কারনে ছোট্ট বেলা থেকে ব্যবসার দায়িত্ব তুলে নেন নিজ কাঁধে। শহরের সুপ্রতিষ্ঠিত খান ফার্টিলাইজার স্বত্বাধিকার তিনি। এ ছাড়া ও ঠিকাদারি সহ বিভিন্ন কোম্পানির এজেন্সি, মোবাইল ডিলার সহ বেশ কিছু ব্যবসা রয়েছে তার। শহরের একমাত্র হিমালয়ের মত দাড়িয়ে থাকা খান হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক ও তিনি। শহরের নিম্ন আয়ের মানুষের কথা চিন্তা করে, সর্বোচ্চ কিস্তির সুবিধায় কোন সুদ ছাড়াই এবং যুব সমাজের কর্মসংস্থানের কথা চিন্তা করে গড়ে তুলেছেন নতুন আঙ্গিকে "নিরাপদ বাজার" যা ইতিমধ্যে শহরে ব্যাপক সুপরিচিত এবং ৫০০০ লোকের অধিক সদস্য বিভিন্ন ভাবে সুবিধা ভোগ করে আসছে।
হাড়ভাংগা নিরলস পরিশ্রমের কারনে খুব স্বল্প সময়ে ব্যবসায়ীক নেতা হিসেবে সর্ব মহলে বেশ সুনম অর্জন করেন। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লালমনিরহাটে পরিচালকের দায়িত্ব ১ বার ও দু বার সহ সভাপতি হিসেবে ৬ টি বছর দায়িত্ব পালন করেছেন এই সফল ব্যবসায়ী নেতা। দেশের উন্নয়নে, সরকারের অবকাঠামো উন্নয়নকে গতিশীল করার জন্য নিয়মিত কর দিয়ে পর পর ৪ বার সেরা করদাতা নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড গড়েন সুমন খান।
গত কয়েক বছর থেকে লক্ষ্য করা গেছে, লালমনিরহাট আওয়ামীলীগের এই মানবিক নেতা সুবিধা বঞ্চিত, পথ শিশু,
গরীব-অসহায়-দিনমজুর-এতিম পরিবারের মাঝে বিভিন্ন সময়ে-বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে আসছে। বাড়িয়ে দিয়েছে সহযোগিতার জন্য দু'টি হাত। যারা অর্থের অভাবে বিয়ের উপযুক্ত মেয়ে ঘরে থাকার পরও বিবাহ দিতে পারছেন না, এমন পরিবারকে খুঁজে-খুঁজে নিজ অর্থায়নে তাদের বিবাহ সম্পুর্ণ করতেছেন। বিভিন্ন তথ্যনুযায়ী জানা যায় প্রায় ৩০ টির উপরে গরীব ও অসহায় পরিবারের মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন এই গরীবের বন্ধু। মানব সেবায় বিলিয়ে দিয়েছেন নিজেকে। এমন কি জেলার গরীব-অসহায়-অসুস্থ লোকদেরকে চিকিৎসা জন্য হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন সব সময়। যারা দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকে অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এবং ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা করাতে ব্যাঘাত ঘটছে এমন পরিবারের জন্য একমাত্র ভরসার শেষ ঠিকানা যেন আওয়ামীলীগের এই নেতা।
আওয়ামীলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন সুমন খানের দীর্ঘদিন "মানব সেবা" জেলা জুড়ে সর্বস্তরে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। দিনমজুর-গরীব-অসহায়-লোকদের প্রাণ প্রিয় হয়ে উঠেছেন সাখাওয়াত হোসেন সুমন খান এবং আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে। তার এই মহৎ কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন এমপি ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাড মতিয়ার রহমান-সহ সর্বস্তরের নেতা নেত্রীগণ। কেননা ইতি পূর্বে কোন রাজনৈতিক নেতাকে সমাজের ওই সব অবহেলিত লোকদের পাশে দাড়াতে বা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে দেখা যায়নি। তাই সুমন খানকে নিয়ে সাধারণ মানুষ-রাজনৈতিক নেতা-এবং সুশীল সমাজে চলছে আলোচনার ঝর।
প্রতি বছরের ন্যয় এবারও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জেলা শহরের সদর উপজেলার পৌরসভা এলাকার ০৯ টি ওয়ার্ডে ১০ দিন শ্রম দিয়ে ঈদের খুশি সবার মাঝে ভাগাভাগি করার জন্য ও ঈদ আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য হতদরিদ্র-অসহায়-দিনমজুর-রিকসাচালক-ভ্যানচালক-বুদ্ধি প্রতিবন্ধী-ও সুবিধা বঞ্চিত-প্রায় ৫০০০ হাজার লোকের মাঝে নগদ ঈদ উপহার হিসাবে অর্থ বিতরণ করেছেন। নগদ অর্থ ঈদ উপহার পেয়ে ৮ নং ওয়ার্ডে ছকিনা বেওয়া (৬৫) ও ৬ নং ওয়ার্ডের আবুল হোসেন (৫৯) এবং ৩ নং ওয়ার্ডের জরিনা বেগম (৪৮) বলেন, ঈদ আসলে আমরা অপেক্ষায় থাকি সুমন খানের। প্রতি ঈদে আমাদের খোঁজ-খবর রাখেন সাখাওয়াত হোসেন সুমন খান। মাঝে-মধ্যে আমাদের বাড়িতে এসে খোঁজ-খবর নেন। শুধু ঈদ নয়, আমরা বিপদে পড়লে সব সময় পাশে পাই তাকে। তার সহযোগিতার কারণে ঈদের দিনে বাচ্চাদের নিয়ে দু-বেলা ভালো কিছু খেতে পারি আমরা। হাজার বছর বেঁচে থাক সুমন খান, এ ভাবেই কথা গুলো বলেন তারা। সাধারণ জনগণ ছাড়াও দলীয় বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশে সব সময় ছায়ার মতই আছেন সুমন খান। জেলার মটর শ্রমিকলীগ ১ শত জন-রং ও ইমারত শ্রমিক ১ শত ২০ জন ও পৌর আওয়ামীলীগের ৯ টি ওয়ার্ডের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের মাঝে, জেলা মহিলা শ্রমিকলীগের ঈদ উপহার হিসাবে নগদ অর্থ বিতরণও করেছেন। এ ছাড়াও বাড়ি বাড়ি গিয়ে মধ্য আয়ের মানুষের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করার বহু রেকর্ড রয়েছে এই মানবিক নেতার।
এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আজিজুল ইসলাম বীর প্রতিক, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো: খাজির উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম রিপন, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: আবু আহাদ লুলু, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো: আলী হাসান নয়ন, ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো: সোহেল রানা,শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ আলম, মো: আওলাদ হোসেন, যুবলীগের সভাপতি মোরল হুমায়ুন কবির, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান লিমন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক, মেধাবী ছাত্রনেতা মো: লুৎফর রহমান আওরঙ্গ, পৌর আওয়ামীলীগের ৬ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো: শফিকুল ইসালম বলেন, সাখাওয়াত হোসেন সুমন খানের এই মানব সেবা আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে, তার সহযোগিতায় জেলার গরীব অসহায় দিনমজুর লোকগুলো উপকৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই মানব সেবা যেন চলমান থাকে এই পত্যাশায় কামনা করি। সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকারে আওয়ামীলীগের নেতা সাখাওয়াত হোসেন সুমন খান বলেন, আমি সব সময় অসহায়, গরীব মানুষের সেবা করে আসছি, আপনাদের কাছে দোয়া চাই, সারাটি জীবন যেন মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থেকে সহযোগিতা করতে পারি, তিনি এ সময় তার পরিবার সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া কামনা করেন।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)