
যশোর জেলার বানিজ্যিক নগরী খ্যাত অভয়নগরের নওয়াপাড়ায় আসন্ন ঈদুল আজহা কে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে গরুর হাট। আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পশু কুরবানীর লক্ষে ক্রেতা-বিক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভীড়ে জমজমাট হয়ে উঠেছে নওয়াপাড়ার সবচেয়ে বড় গরুর হাট। এবার হাটের স্পন্সর হয়েছে উপায় ডট কম। অভয়নগরের নয়টি ওয়ার্ড ও আট টি ইউনিয়ন ছাড়াও দূর দুরান্ত থেকে ট্রাক, নছিমনে করে আসছে বিভিন্ন আকারের গরু। অনেক খামারী ও ব্যবসায়ীরা আবার গরুকে আকর্ষণীয় করতে সাজিয়ে গুছিয়ে এনেছেন।
একের পর এক গরু আসার ফলে হাটের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় হাটের নির্ধারিত জায়গা ছাড়াও পাশের বাইপাস সড়কের দু ধারে গরু রাখতে বাধ্য হচ্ছেন বিক্রেতারা, ফলে নুরবাগ স্বাধীনতা চত্তর থেকে স্টেশন পর্যন্ত যাতায়াতের সাময়িক অসুবিধা হলেও মেনে নিয়েছে জনসাধারণ। বিভিন্ন গরুর কাছে গিয়ে ক্রেতা বিক্রেতার মধ্য চলছে দর দাম। হাট ঘুরে ক্রেতারা বলছেন এবার গরুর দাম গত বারের তুলনায় অনেক বেশী তাই বিভিন্ন জায়গায় ছুটছেন যাচাই-বাছাই করার জন্য,অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন খাবারের দাম যেভাবে বেড়ে গেছে, সেই তুলনায় প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম বলছেন না ক্রেতারা, ফলে বিক্রি হচ্ছে কম। সংশয়ে আছেন তবে আশা ছাড়ছেন না। শেষ মুহুর্তের জন্য অপেক্ষা।
হাটে মাঝারি আকারের গরুর আধিক্যই বেশি,ক্রেতারাও ঝুকছেন মাঝারী আকারের গরুর দিকে। তবে ছোট বড় মিলে সব ধরনের গরুই এসেছে হাটে। একজন ক্রেতা জানালেন: কয়েক হাট ঘুরলাম যেমন চেয়েছিলাম তেমন গরু পেলাম না, বাধ্য হয়ে এই গরুটা নিলাম ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে। ছাতিয়ানী থেকে আসা রাজু ব্যবসায়ী জানালেন" ৪ টি গরু এনেছি, ২টা বেচলাম,কিছুই ডানে কিছু থাকলো না "সমান সমান। ক্রেতা বিক্রেতা,হাট কতৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেন রাত বেশী হলে বেচাকেনা আরো বাড়বে বরাবরের ন্যায় এবারো ছিনতাই সহ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল লক্ষ করা গেছে।
হাট পরিচালনা কমিটি বললেন: বেচা কেনা হচ্ছে মুটামুটি হচ্ছে। পশু ডাক্তারের কোনো টিম কাজ করছে কি-না জানতে চাইলে বলেন "এই যে চেয়ার আছে, ডাক্তার নেই।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)