
ভোলার লালমোহনে যাতায়াতের রাস্তা মেরামত করায় বাড়ি ঘরে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও মারধর ও মিথ্যা মামলা হামলার হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার লালমোহন পৌরসভা ১০ নং ওয়ার্ড মিন্টু মিয়ার বাড়িতে গত ২৯ এপ্রিল শনিবার রাত সাড়ে ১১ টার সময় এঘটনা ঘটে।
জানাযায়, মিন্টু মিয়া বাড়ির সবুজ ও স্থানীয় লোকজন মিলে ভাঙ্গা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে অসুবিধার কারনে নিজেদের উদ্ধেগে রাবিশ দিয়ে রাস্তার ভাঙ্গা রাস্তা ভরাট করে এমন সময় পাশবর্তী আহম্মদ ওরফে সানু পাটওয়ারীর ছেলে ফজলুল কাদের পলাশ ও তার স্ত্রী নাছিমা মেয়ে ছেলেকে নিয়ে এদের উপর আক্রমণ করে পরে পরে সবুজের বাড়ি ঘরে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। সবুজ ও স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করে জানান, পলাশের বাবা আমাদের কাছে আট শতাংশ জমি বিক্রি করে বুঝিয়ে দেয়। সে জমি নিয়েও পলাশ ও তার ফ্যামিলি ঝামেলা পাকায় মিথ্যা মামলা হামলা করে এখনও আমরা সে মামলায় ভোগতেছি।এখন আরাব আমরা আমাদের নয়টি বাড়ির যাতায়াতের রাস্তা মেরামত করি তারতো কোনরকম সমস্যা না কারন এ রাস্তা দিয়ে পলাশ ও তার পরিবারের লোকজন চলাফের করে। এটা দীর্ঘ ৩০ বছর পূর্বের চলাচলের রাস্তা তাদেও এখন আবার আমাদের গায়ে পড়ে ঝামেলা করতেছে। আমরা ঘরে রাতের আধারে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এমনকি আমাদের ছোট ছোট ছেলে মেয়ে স্কুল থেকে আসার সময় তাদেরকে মারতে ধরে এলাকার কোন বিচার ফয়সালা মানেনা।
অপরদিকে অভিযুক্ত পলাশ ও তার স্ত্রী অভিযোগ বলেন তাদেরকেও ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় ১০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল সিরাজ মাতাব্বরের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, পলাশ গংরা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করায় সবুজ গংরা আমার বাড়িতে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পলাশ ও সবুজ কে যার যার ঘরে উঠিয়ে দিয়ে আসি। মূলত পলাশ এলাকার কোন বিচার ফয়সালা মানেনা। শালিস গণ উচিত কথা বললে পলাশ তাদেরকে অপমান অপদস্ত করে। যে রাস্তা মেরামত করেছে সে রাস্তা এখানে পলাশের বাবা জমি কিনে বাড়ি করার অনেক আগের রাস্তা। তিনি আরো জানান, পলাশ উম্মাদের মতো বেপরোয়া এলাকার অনেকের গায়ে পড়ে ঝগড়া করে। আমি সব জানি কারন আমার বাড়ি এদের পাশাপাশি আমি মাননীয় এমপি মহোদয়কে জানিয়েছি।মাননীয় এমপি মহোদয়ের মাধ্যমে এর সঠিক ফয়সালা কামনা করি।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)