
নবনির্মিত স্কুল ভবনে নির্মানে নিম্নমানের বৈদ্যুতিক তার দিয়ে কাজ করায় বিদ্যালয় ভবনের কাজ বন্ধ করে রাখেন এলাকাবাসী।
ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার ইউনিয়নের ৩৬ নং সোনাহার (২) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণে।
বুধবার (৩০ আগস্ট) কাজ বন্ধ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর অভিযোগ নবনির্মিত স্কুল ভবনে ওয়ারিং এর কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের বৈদ্যুতিক তার দিয়ে করা হচ্ছে যা দুই তিন বছর পর ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
তাই এলাকাবাসী এ ধরনের নিম্নমানের কাজে অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন এবং তারা আরো জানান এই ভবনের কাজ দীর্ঘদিন যাবত চলমান আছে ফলে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকা হাসনাত আরা বেগম জানান, উপজেলা প্রকৌশলী অধিদফতরের অধীনে ঐ বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবন নির্মাণ শুরু হয় ২০২০ সালে। কাজটি পান কন্টেকটার সাইফুল ইসলাম হাজী। তিনি আরো বলেন, ভবনের কাজ ধীর গতিতে হওয়ায় স্কুলের বাচ্চাদের রুম সংকটে ক্লাস নিতে অসুবিধা হচ্ছে। ক্লাসে ছাত্র- ছাত্রী উপস্থিতি বেশি হলে আমরা নিরুপায় হয়ে মাঠে ক্লাস নিতে বাদ্ধ হই।
স্কুলের অভিভাবক এবং স্থানীয় এলাকাবাসী মোজাম্মেল হক সরকার জানায়, ভবনে কাজ শুরুর সময় ২০২০ সালে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের সময় নিম্নমানের সাল্টি ইট ব্যাবহার করায় এলাকাবাসী প্রকৌশলী সহ নিম্নমানের ইটের গাড়ি অবরুদ্ধ করে। এবং পরবর্তীতে প্রকৌশলী এবং কন্টেক্টার স্টিমেট অনুযায়ী ভালো কাজ করবেন বলে প্রতিস্রুতি দেন এবং ৫ হাজার সাল্টি ইট ফেরত পাঠায় স্থান ত্যাগ করেন। কিন্তু পরও ভবনের কাজ নিম্নমানের ইটের খোয়া ও বালু ব্যবহার করা হয়। গাঁথুনিও করা হয় নিম্নমানের ইট দিয়ে। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে ভবনে নিম্নমানের বৈদ্যুতিক তার দিয়ে কাজ করা হচ্ছে যা কিছুদিনের মধ্যে শটসার্কিট হয়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এজন্য আমার এলাকাবাসী সহ ভবনের কাজ বন্ধ রেখেছি এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে কাজগুলো করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)