
বরগুনার আমতলীতে মিথ্যা মামলা দিয়ে এক ভুমিহীন পরিবারকে হয়রানীর প্রতিবাদে রবিবার সকাল ১০ টায় আমতলী উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অসহায় ভুমিহীন মোসা: নাজমা বেগম।
নাজমা বেগমের লিখিত বক্তেব্য জানা যায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার চরকগাছিয়া গ্রামের ফরিদা বেগম ভুমিহীন নাজমা বেগম তার স্বামী মাসুদ মোল্লা,ছেলে নাজমুল প্রতিবেশি আলমগরি নাগর, ও কাওসারকে আসামী করে আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মারামারির মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলা সম্পর্কে নাজমা বেগম বলেন,গত ২৩ সেপ্টেম্বর ফরিদা বেগমের দুই ছেলে লোটাস ও সোহেল চরকগাছিয়া নতুন বাজার ব্রীজ সলগ্ন নাজমা বেগমের মুদিমনোহরি দোকানে অনদিকার প্রবেশ করে নাজমার ছেলে নাজমুলকে মারধোর করে এসময় নাজমা বেগম বাধা দিতে গেলে তাকে লোটাস ও সোহেল কুপিয়ে পিটিয়ে দোকানের ক্যাশবাক্স ভেঙ্গে নগদ এক লক্ষ টাকা নিয়ে যায়। এঘটনায় নাজমা বেগম বাদী হয়ে লোটাস ও সোহেলকে আসামী করে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে। এঘটনাকে ধামা চাপা দেয়ার জন্য লোটাস ও সোহেল তার মা ফরিদা বেগমকে বাদী করে আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে নাজমা বেগম লিখিত বক্তব্যে বলেন। উল্লেখ্য উপজেলার চরকগাছিয়া গ্রামের ভুমিহীন মাসুদ মোল্লা ও তার স্ত্রী নাজমা বেগম ২৪৭আম/২০০৬-২০০৭ নং বন্দোবস্ত কেসের মাধ্যমে চান্দখালী মৌজায় ১ নং খতিয়ানের দাগ নং ৯৬৯ /২এ ১ একর জমি বন্দোবস্ত প্রাপ্ত হয়ে ভোগ দখল করে আসছেন। এবং উক্ত জমিতে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে দোকান ঘর স্থাপন করে ব্যবসা করে জীবন চালাচ্ছেন ।
কিন্তু ভুমি দস্যু লোটাস হাওলাদার নাজমা বেগমের কাছে ২ লাখ টাকা ও দোকানের জন্য দুটি ভিটি নাদিলে ভুমিহীন পরিবারকে গ্রাম ছাড়া করার হুমকি দিয়ে আসছেন প্রতিনিয়ত। বর্তমানে নাজমা বেগম ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহিনতায় ভুগছেন অসহায় নাজমা বেগম সাংবাদিকদের আরো বলেন, আমি গরীব মানুষ সরকার আমাকে জমি দিয়েছে আমি সেই জমিতে দোকান করে কোন রকম ব্যবসা করে জীবন চালাই।
লোটাস হাওলাদার আমার কাছে দুটি দোকান ঘর এবং ২ লাখ টাকা চাঁদা চায় আমি তাকে দোকান ঘর ও টাকা দিতে অপরাগতা জানাণোর পর থেকেই লোটাস হাওলাদার আমার ছেলে ও আমাকে মারধোর করে। উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
এ ব্যাপারে লোটাস হাওলাদার তার বিরুদ্দে আনিত অভিযোগ অস্বিকার করেন।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী সাখোয়াত হোসেন তপু বলেন, মামলার তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)