
বন্ধুত্ব করি দেশ গড়ি, এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নেত্রকোনার পূর্বধলায় যায়যায়দিন পত্রিকার পাঠক সংগঠন ফ্রেন্ডস ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পিঠা উৎসবঅনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত সোমবার উপজেলার স্টেশন রোডের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন নোঙ্গর বাসবভনের সামনের মাঠে এই পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। পিঠা উৎসবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী রকমারী পিঠার পশরা সাজানো ছিল। এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন- ফ্রেন্ডস ফোরাম পূর্বধলা উপজেলা আহ্বায়ক জাকির আহমদ খান কামাল। যায়যায়দিন পত্রিকার পূর্বধলা উপজেলা প্রতিনিধি ও ফ্রেন্ডস ফোরাম পূর্বধলার উপদেষ্টা মো জায়েজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সড়ক ও জনপথ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসার মো. নুরুজ্জামান, পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শামীমা নাসরীন সাম্মি, পূর্বধলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. জুলফিকার আলী শাহীন, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফাহমিদা ইয়াসমীন, গীতা রানী সরকার, বিশ্বজিত সাহা মৌদাম সেসিপ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উপদেষ্টা মো. গোলাম মোস্তফা, সহকারী শিক্ষক নাজনীন আক্তার খানম, স্বাস্থ্য সহকারী, মোসলেমা চৌধুরী, প্রধান শিক্ষক পারভীস আরা খানম, সহকারী শিক্ষক নূরন্নাহার খানম মেবিন প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পিঠা আমাদের গ্রামীণ
ঐতহ্যের সঙ্গে মিশে আছে। কালের আবর্তে সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে পিঠার ঐতিহ্য তুলে ধরতে এমন পিঠা উৎসবের বিকল্প নেই।
এর মাধ্যমে যেমন নতুন প্রজন্ম পিঠা সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে, তেমনি আমাদের মধ্যে সামাজিক বন্ধন আরও সমৃদ্ধ হবে। এমন সুন্দর আয়োজনের জন্য বক্তারা ফ্রেন্ডস ফোরামের বন্ধুদের ধন্যবাদ জানান। অনলাইনে সংযোগের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন- যায়যায়দিন ফ্রেন্ডস ফোরামের বিভাগীয় সম্পাদক জ্যোতিষ সমাদ্দার বাবু। তিনি বলেন, পিঠাউৎসব গ্রামীণ ঐতেহ্যের অংশ। এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আরও উৎসাহীত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং উৎসবের সার্বিক সফলতা কামনা করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ফোরামের সদস্য আব্দুল মোমেন জুয়েল, প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম খান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামছুল আলম খান উজ্জ্বল, সাবিকুন্নাহার সহকারী শিক্ষক মায়েদা ইয়াসমীন রোজি, লূৎফুন্নাহার ইয়াসমীন, নিলুফার ইয়াসমীন নীলু, মাকসুরা আক্তার নিলা, নার্সিং সুপারভাইজার সামসুন নাহার বেগম, জাকিয়া জুবায়দা অহনা, কানন বালা, সুমিতা আক্তার, আসমা আক্তার, তামান্না সুলতানা পলি, মনিকা বণিক, জাহানারা বেগম, ফ্রেন্ডস ফোরামের সদস্য মো. আলমগীর হোসাইন, মো. আজিম উদ্দিন, জিয়াউর রহমান, মো. জিন্নাহ চৌধুরী, মনির চৌধুরী, খুররম খান, মোহনা, সাদমান, সাগর প্রমুখ।
রকমারী পিঠার মধ্যে ছিল- পাটিসাপটা, পুলি, কেক পিঠা, পানথুয়া মাছ পিঠা, তারা পিঠা, পোয়া পিঠা, চিতই পিঠা, চই পিঠা, ফল পিঠা ফুল পিঠা ডাল পিঠা, ভাপা পিঠা, পাকন পিঠা, মুগ পাকন, নারকেলি, তকতি পিঠাসহ প্রায় ২৫ রকমের পিঠা। পরিশেষে আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন- মম বণিক, মন্দিরা ঐশ্যর্য ঘোষ, রওজাত নাওয়ার জল, মন্টি বণিক মরিয়ম, শেখ শেহেরিশ, রুহী, শায়েরী, তৈমুর, তাকি প্রমুখ।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)