
দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া সন্তোষদি মৌজায় বিএস জরিপকৃত চরের ভিপি ১নং খাস খতিয়ানের ১৫ একর জমি তরমুজ চাষে ইজারার নামে ৪ লাখ ৫০হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে।
রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ এলাকার বাসিন্দা হাবিব খান (৫০) নামের একজন মৌসুমী চাষির কাছ থেকে সন্তোষদি গ্রামের বাসিন্দা দুলাল গাজীসহ একটিচক্র সাড়ে ৪লাখ টাকায় ওই চরে তরমুজ চাষে একবছরের জন্য লীজ দেন। তবে খাস জমি লিজ দেয়া ও তরমুজ চাষের বিষয়ে কিছুই জানেনা ভূমি প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ২৮নং সন্তোষদি মৌজায় লোহালিয়া নদীর ওপারে জেগে ওঠা চরের বিএস জরিপকৃত ১নং খাস খতিয়ানের অন্তত: ১৫একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছেন রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজের তরমুজ চাষি হাবিব খান। এবছর তেমন কোন ঝড়বৃষ্টি না হওয়ায় আগাম জাতের তরমুজের বেশ ফলনও হয়েছে। ইতোমধ্যে বড় সাইজের ৮থেকে ১০হাজার তরমুজ বিক্রিও করেছেন। ভিপি ১নং খাস খতিয়ানের খাস জমিতে কিভাবে তরমুজের আবাদ করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে হাবিব খান বলেন, স্থানীয় দুলাল গাজী ওই চরের কার্ডহোল্ডারদের কাছ থেকে একবছরের চুক্তিতে নিয়ে তাকে ওই জমি দিয়েছেন। কোন ঝামেলা হলে দুলাল গাজী তা মিটমাট করে দেবেন বলেও শর্ত দেয়া আছে।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানায়, বিএস জরিপকৃত লোহালিয়া নদীর ওপারে সন্তোষদি মৌজার ১নং খাস জমির মালিক বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)। ওই চরের জরিপপূর্ব সকল একসনা বন্দোবস্ত বাতিল করা হয়েছে। অতএব, ভিপি খাস খতিয়ানভুক্ত ওই জমিতে চাষাবাদের কারো এখতিয়ার নেই। এবছর ওই জমিতে তরমুজের চাষ করার বিষয়টিও জানেন না বলে জানিয়েছেন ভূমি অফিসের নাজির মোঃ মনিরুজ্জামান।
এবিষয়ে অভিযুক্ত দুলাল গাজী বলেন, কার্ডহোল্ডাররা টাকা নিয়ে তাদের দখলীয় জমি এবছর তরমুজ চাষের জন্য হাবিব খানকে দিয়েছে। আমি শুধু মধ্যস্থতা করেছি মাত্র।
এ বিষয়ে এসিল্যান্ডের চলতি দায়িত্বের ইউএনও শাহীন মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এখানে নতুন এসেছেন, খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)