
পটুয়াখালীর দুমকীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কাপ পিরিচ প্রতিকের মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাওসার আমিন হাওলাদার জীবনের নিরাপত্তা চাইলেন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে।
সোমবার বিকেল ৪ টায় দুমকী নতুন বাজারস্থ নিউ স্টার চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, দুমকী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ থেকে শুরু করে পদে পদে হয়রানির শিকার হয়েছেন। বেশ কয়েকবার তার ওপর এবং তার কর্মী সমার্থকদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাকে খুন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তার যদি কিছু হয় তবে দায়ী থাকবেন মোটর সাইকেল প্রতিকের মনোনীত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ড. হারুন অর রশিদ হাওলাদার।
সম্প্রতি গত ২৬মে উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের ঝাটরা এলাকায় কাপ পিরিচ প্রতিকের ৫ জন সমার্থককে মারধর করে মোটর সাইকেল প্রতিকের কর্মীরা। গুরুতর আহতাবস্থায় তাদের প্রথমে দুমকী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও বরিশাল মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এরপর গত ২ জুন একই ইউনিয়নের রুপাশিয়া গ্রামে মোটর সাইকেল প্রতিকের কর্মীদের আক্রমণের শিকার হয়েছেন কাপ পিরিচ প্রতিকের মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাওসার আমিন হাওলাদার ও তার সমার্থকরা। পরদিন ৩ জুন নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন কাওসার আমিন। তিনি বলেন, আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আপনাদের মাধ্যমে আমি প্রশাসনের কাছে নিজের এবং কর্মী সমার্থকদের নিরাপত্তা চাই। আমি মরে গেলে লাশ টুকো আমার মায়ের কাছে আপনারা পৌঁছে দিবেন। আর সব ঘটনার জন্য দায়ী থাকবেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ড. হারুন অর রশিদ হাওলাদার। তিনি আমাকে মোবাইল ফোনে নির্বাচন না করার জন্য হুমকি দিয়েছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কিনা সে বিষয় আমি শংকিত। তিনি নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে আসন্ন ৯ জুনের অনুষ্ঠিতব্য দুমকী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার দাবী জানান।
এ সময় পটুয়াখালী ও দুমকী উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)