
আমতলীর নদী থেকে খালে পরিনত চাওড়া খালটিতে গায়েবী ভাবে বিষ প্রয়োগ করে গোপনে গভীর রাতে মাছ শিকার দিন দিন বেড়েই চলছে।
এ খালে প্রতিনিয়ত বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার দিন দিন বাড়ছে। বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অসাধু মাছ স্বীকারিরা।
স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে,খালের দু-পারের বসতি বাসিন্দারা পানি রান্নার কাজে ব্যবহার ও গোসলসহ নানা কাজে ব্যাবহার করছেন।এ খালে গরু,ছাগলও গোসল করাতে হচ্ছে বহু পশু পালনকারীরা।
তবে এ বিষয়টি ছড়িয়ে পরে এ খালে বিষ প্রয়োগ করার ফলে মাছ মরে গেছে এমনটি ঘটনা দেখতে পেয়ে তারা পানি কোন কাজে বন্ধ করে দেয়। তাতে তারা বিষ প্রয়োগের ফলে বিষকৃয়ার হাত থেকে বেচে যাচ্ছে। তবে মাছ মরে যাওয়া দেখে তাদের সতর্কতা অবলম্বন করে চলতে হচ্ছে। এমনকি মাছ মরা না মরার উপরে নির্ভর করে পানি ব্যবহার্য্য করতে হচ্ছে। খালে বিষ প্রয়োগে চিংড়ি, রুই, বোয়াল, পাংগাস, পোয়া, গাগড়া, আইর, কোড়াল,
টেংরাসহ নানা প্রজাতির মাছ মরে যাচ্ছে। জেলেরা ওই মাছ ধরে স্থানীয় আড়তসহ বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করে। এই বিষ মিশ্রিত পানি পান করে মারা পড়ছে হাস সহ বিভিন্ন প্রাণী। পানি থেকে বিষ হোগল, গেওয়া ও শৈলা গাছের পাতায়ও পৌঁছে যাচ্ছে। তবে এতে এক কিছু শ্রেণির অসাধুু লোক নিয়মিত খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার করে যাচ্ছে।
এ ব্যপারে এ খালের পানি ব্যবহারকারী ও গুলিশাখালী খেকুয়ানীর খালের পারের বাসিন্দা মো: মোস্তফা আকন জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবাধে চলছে বিষ দিয়ে মাছ শিকার। এতে ছোট বড় সকল প্রজাতির মাছ মরে যাচ্ছে। এতে মৎসজিবিরা বিপাকে কারন ওই মাছ গুলো বিক্রিযোগ্য নয়। এভাবে বিষ দিয়ে মাছ শিকার অব্যাহত থাকলে একসময় মৎস্যশূন্য হয়ে পড়বে এ খালটি।
এতে আরো ওই চাওড়া খাল পাড়ের বাসিন্দা মোশারেফ বলেন, আমি সকালে হাতমুখ ধুইতে গেলে প্রায় দিনই দেহি মরা মাছ ভাইশ্যা ওঠে। মোরা এ পানি নাওয়াসহ নানা কামে লাগাই। মনে হয় খালে ভাটার সময় কিছুর লগে বিষ মিশাইয়া খালের পানিতে ছিটাইয়া দেয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বিভিন্ন ধরনের মাছ পানিতে ভেসে ওঠে।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, খালে বিষ দিয়ে মাছ ধরা একটি বড় ধরনের অপরাধ। এ বিষয় আমাদের কাছে কোন তথ্য আসলে আমরা দ্রুতগতিতে ব্যবস্থা নেবো।
আমতলী মৎস কর্মকর্তা বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করে জেলে পাঠানো হবে।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)