
কাল বৈশাখি ঝড় একদিন হলে এর রেশ থাকে এক সপ্তাহ। বলছিলাম পল্লীবিদ্যুতের কথা। কাল বৈশাখি ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি হবে- এটাই স্বাভাবিক কিন্তু এ ক্ষতির রেশ বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে পুরো এক সপ্তাহ ধরে। কোন কোন সময় তারচেয়েও বেশি। আর এর প্রভাব পড়ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সাধারণ মানুষের জীবন মানে। এছাড়া বিজলী চমকালে কিংবা ভারি বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়। যা কোন অবস্থায় মেনে নিতে পারছেন উপজেলার ৭০ হাজার পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক।
মাহে রমজানে সিয়াম সাধনায়ও বাধ সাধছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। প্রতি ঘন্টার মধ্যে বিদ্যুতের কয়েকবার যাওয়া আসা মানতে পারছেন না সাধারণ মানুষসহ ব্যবসায়ীরা। ঈদের কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতারাও পড়েছে বিপাকে। কাপড় পছন্দ করাটা কষ্টকর হয়ে পড়ছে বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মাত্রায় লোডশেডিং এর কারণে। সোমবার দিনভর বিদ্যুতের বিভ্রাট মেনে নিলেও বিকাল থেকে নিয়মিত বিরতীতে বিদ্যুতের আসা যাওয়া ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ কেউ মেনে নিতে পারছেন না। এই সময়ে আধা ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে একঘন্টা বন্ধ ছিল। এতে চরম বিরক্তি প্রকাশ করে ক্রেতাসহ পৌরশহরে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষ।
তাবাস্সুম আক্তার নামে তরুণী বলেন, রোজা রেখে দিনের বেলা ঈদের কেনাকাটা করতে সময় ও স্বস্তি দুইটারই বিঘ্ন ঘটে। তাই রাতের বেলা পরিবারের সাথে এসেছি। কিন্তু এসে তো বিদ্যুতের যাওয়া- আসার মিছিলে পড়ে গেছি। একইভাবে বিরক্তি প্রকাশ করেন হাসান আহমদ তিনি বলেন, আমরা সব ভাইদের একই ধরনের পাঞ্জাবি কিনতে আজির প্লাজায় ছিলাম দুই ঘন্টা। এর মধ্যে পাঁচ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করলো।
বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মাত্রার লোডশেডিং বিষয়ে পল্লীবিদ্যুতের ডিজিএম ভজন কুমার বমর্ণ এর মোবাইল নম্বরে বার বার যোগাযোগ করলেও নির্ধারীত নম্বর ব্যস্ত দেখায়। ফলে শতভাগ বিদ্যুতের সরবরাহের এই সময়ে লোডশেডিং কেন করা হচ্ছে সেটি জানা সম্ভব হয়নি।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)