
টানা তিন বছর যাবত সিলেট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় হাজার হাজার কর্মজীবী দিনমজুর হতদরিদ্র পরিবারের মানুষ গুলা যেখানে একমাত্র কর্মসংস্থান খনিজ সম্পদ পাথর উত্তলন বন্ধ থাকায় জীবিকা নির্বাহের ভোগান্তিতে ভুগছেন ঠিক ঐ সময়ে ভারত মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা পানির ঢলে পরিনিত হয় ভয়াবহ বন্যা যা শত বছরের রেকর্ড কেও হার মানিয়েছে এই ক্লান্তি ময় দূর্যোগে সিলেট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে বেপক ভাবে প্রভাব পড়েছে স্থানীয় উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কোম্পানি থেকে পাথর বহনের জন্য ট্রাক্টর ক্রয়ের দেনা কিস্তি দিতে অপারগতা নিয়ে মানসিক ভাবে হতগ্রস্থ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় যতগুলা বাজার আছে সেগুলায় ও পড়েছে বিশেষ প্রভাব যার ফলে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীরা দোকান ভাড়া ও মাসিক চালাতে না পেরে দোকানে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার মালামাল ইচ্ছের বাহিরে বাধ্য হচ্ছেন সস্তায় বিক্রি করে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে তুলা লোন এর চাপ মাথায় নিয়ে চলে যেতে হচ্ছে নিজ জেলায়, যে সমস্ত বাজার গুলায় রাত ১২ টা পর্যন্ত মানুষের ঢল ছিলো সেই সমস্ত বাজার গুলা এতটাই নির্জন যে সন্ধার পরে ভিতরে গলিতে যেতে ভয় লাগে,যে সমস্থ বাজার গুলায় শত শত দোকান থাকার পরেও প্রত্যেকটা বাজারে দুই চার টা দোকান ছাড়া সব দোকান পাট বন্ধ, খনিজ সম্পদ পাথর উত্তলন বন্ধ থাকায় মুসলিম উম্মাদের মহা পবিত্র ঈদুল আযহায় পড়েছে পশু কোরবানির প্রভাব যে সমস্ত পরিবার প্রতিবছর পশু কোরবানি দিতেন ঐ সমস্থ পরিবার দিতে পারেন নি পশু কোরবানি, পাথর কুয়ারি বন্ধ থাকায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মানুষের মধ্যে তেমন দেখা যায়নি ঈদের আনন্দ, সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে বিভিন্ন কোম্পানীর গাড়ির ক্রয়ের কিস্তির চাপ পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি ব্যাংক ও বেসরকারি এনজিও থেকে তুলা টাকার কিস্তির চাপ দিতে পারছেন না পল্লী বিদ্যুতের বিল অর্থনৈতিক বেপক ক্ষতিগ্রস্থতার কারনে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন চিকিৎসা সেবা থেকে বেড়েছে প্রবাসী সংখ্যা, লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার ব্যবসা ফেলে পরিবার পরিজন ছেড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি ঝমাতে হচ্ছে দূর প্রবাসে। স্থানীরা খুব আশাবাদী চরম এই দূর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য সরকার প্রধান খুলে দিবেন পাথর কুয়ারি।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)