
মোঃ নাঈম বিল্লাহ,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বরগুনার আমতলী উপজেলার বিভিন্ন মাছ বাজার ও গ্রামাঞ্চলে ফেরী করে প্রশাসনের চোখের সামনে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে জাটকা ইলিশ মাছ। ১০ ইঞ্চির কম ইলিশ মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকলেও প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের তদারকি না থাকায় প্রকাশ্যে বাজারে অবাধে জাটকা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে।
আমতলী উপজেলার মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সাগর ও পায়রা নদীসহ আশেপাশের বিভিন্ন নদী থেকে ধরা জাটকা ইলিশ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জ, হাট-বাজারে পৌর শহরে প্রকাশ্যে ফেরী করে জাটকা ইলিশ বিক্রি করতে দেখা যায়।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারী ) সকালে আমতলী নতুন বাজার (বাঁধঘাট)ও একে স্কুল মাছ বাজারে জাটকা ইলিশ বিক্রি করতে দেখা গেছে অনেক মাছ ব্যবসায়ীকে। যা ধরা ও বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তা সত্তে¡ও কতিপয় অসাধু জেলেরা সাগর ও পায়রা (বুড়িশ্বর) নদী ঝাঁটকা ইলিশ শিকার করে তা প্রকাশ্য দিবালোকে বিক্রি করছে। কিন্তু প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তেমন কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাছ ব্যবসায়ী জানায়, বঙ্গোপসাগরের কুয়াকাটা, কলাপাড়ার মহিপুর, বাইশদা, মৌডুবী, তালতলীর বগী, পঁচাকোড়ালিয়া এবং আমতলীর বৈঠাকাটা, গুলিশাখালী এলাকা থেকে এই বাজারে জাটকা ইলিশ মাছ আসে। অনেকেই জাটকা ইলিশ মাছ বিক্রি করে তাই আমিও করি আমতলী রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি সাংবাদিক হায়াতুজ্জামান মিরাজ বলেন, ছোট ইলিশ ধরা এবং বিক্রিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অসাধু জেলেরা জাটকা ইলিশ শিকার করছেন। যে কারনে আগামী দিনগুলোতে স্থানীয় নদ-নদীগুলো ইলিশ শূন্য হতে পারে। এতে করে স্থানীয় জেলেদের যেমন ক্ষতি হবে তেমনি করে দেশ হারাবে ইলিশ সম্পদ। তাই এখনি প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে জাটকা ইলিশ শিকার ও বিক্রি বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। আমতলী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সর্দারের মুঠোফোনের ফোন করলে মৎস্য অফিসের ফিসারিজ অফিসার সাইদ ফারাহ মুঠোফোন রিসিভ করে বলেন, ম্যাডাম একটু ব্যস্ত আছেন।










