
মোঃ শামীম খন্দকার,কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
পাত্রের বয়স ১৭, পাত্রীর ১৫ বিবাহের জন্য সকল আয়োজন সম্পন্ন প্যান্ডেল গেট, লাইটিং খাবার দাবার সকল আয়োজন প্রস্তুত আসবে বর বিয়ে করে বউকে নিয়ে যাবে তার বাড়িতে। সকলের চোখে ও মুখে আনান্দের ছাপ! বৃষ্টি ভেজা শ্রাবণের দিনে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেই সেই বিয়ে বাড়ীতে উপস্থিত হন ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ ফোর্স সহ।
ম্যাজিস্ট্রেটে ও পুলিশের উপস্থিতি দেখে এলোমেলো হয়ে যায় বরসহ তার সাথে আসা অতিথিরা! ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায় ৭ আগষ্ট সোমবার পাত্র মামুন শেখ(১৭), পিতা- হান্নান শেখ, তারাপুর, জগন্নাথপুর, কুমারখালী, কুষ্টিয়ার সহিত কন্যা- মাছুরা খাতুন (১৫), পিতা- মো: মাসুদ, জগন্নাথপুর, কুমারখালী, কুষ্টিয়ার সহিত বিবাহ সম্পন্ন আয়োজন করা হয়েছে এমন সংবাদ পেয়ে কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল আরাফাত সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে হাজির হন ঐ বিবাহের অনুষ্ঠানে সেখানে উপস্থিত পাত্রের মা’কে অপ্রাপ্ত বয়স্ক পুত্রকে নাবালিকা কন্যার সাথে বিবাহ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়ায় তাকে ৫০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং পাত্রের মা ও কন্যার পিতার নিকট থেকে লিখিত মুচলেকা গ্রহণ করা হয় যেন প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত পুনরায় বিয়ের উদ্যোগ গ্রহণ না করেন।
এদিকে শিশু বিবাহ বন্ধ করে দেওয়ার এলাকাবাসী ও সচেতন মহল প্রসাশনের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বাংলাদেশের আইনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে হলে কন্যার বয়স ১৮ ও পাত্রের বয়স ২১ বিধান রাখা হয়েছে। উক্ত বয়সের আগে কোন ছেলে ও মেয়েকে বিবাহ দেওয়া হলে সেটা বাল্য বিবাহ বলে গণ্য হবে যেটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।





