শিশু-কৈশোরদের খেলার মাঠে আনতে পারলে কমবে কিশোর গ্যাং ও শিশু অপরাধ প্রবণতা

0
115

মোঃ তৌফিকুর ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি আমতলী বরগুনা

দেশে কিশোর ও তরুণ সমাজের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। ইদানীং পত্রপত্রিকায় ‘কিশোর গ্যাং’-এর অপরাধ বিষয়ে প্রায়ই খবর বেরোচ্ছে। অপরাধের ধরনও দিন দিন পালটে যাচ্ছে।

কিশোর গ্যাং একটি সামাজিক ব্যাধি বলে মনে করেন অনেকে। এই সব শিশু কিশোর কোনো না কোনো পরিবারের সন্তান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা দেয়া হয়। কিন্তু শিক্ষার সঙ্গে থাকা চাই দীক্ষা– এই দীক্ষা শিশুরা পায় পরিবার থেকে; সমাজ থেকে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে তরুণ প্রজন্মকে নানাবিধ অপসংস্কৃতি থেকে রক্ষা করার প্রধান কাজটি করতে হবে পরিবারকে। কিন্তু কিছু পরিবারের সাধারণত অসাবধানতার কারণে তারপিও শিশুটি জড়িয়ে যাচ্ছে কিশোর অপরাধী ও অপরাধের সাথে। এসকল অপরাধে সমাজ থেকে সমূলে উৎপাদিত করতে শিশুদের পারিবারিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলার জন্য পর্যাপ্ত সময় ও পরিবেশ করে দিতে হবে। ফিরে যেতে হবে সেই ১৯ শতকের শিশু কিশোরদের সেই বিকেলের দিকে তবেই তা সম্ভব হবে।

কিন্তু আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়া অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল গেমস ও কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে এ সব জনপ্রিয় গ্রামীণ খেলাধুলা। পাড়া মহল্লাতে তেমন একটা চোখে পড়ে না শিশু-কিশোরদের এক সময়ের জনপ্রিয় মজার খেলাধুলা। কানামাছি বৌ বৌ, হাঁ-ডু-ডু, লাটিম খেলা, পাক্ষি খেলা, দাড়িয়া বান্ধা,গোল্লাছুট, ঢাংগুলি (টেমঢাং) মারবেল, হাঁসধরা, রশিটানা, ইচিং-বিচিং, ওপেন টু বায়োস্কোপ, মল্ল যুদ্ধ, লাঠিখেলা, লুকোচুরি, কক ফাইট (মোরগ লড়াই), কড়ি, ধাপ্পা, কুতকুত, বিস্কুট খেলা, যেমন খুশি তেমন সাঁজ, পুতুলের বিয়ে, চড়ই -ভাতি, এলাডিং বেলাডিং, সাত চাড়া উল্লেখযোগ্য খেলার। শিশুদের সে সময়ের মতো আবারো মাঠে ফিরিয়ে আনতে পারলেই কেবল কমতে পারে শিশু অপরাধ।


শিশু-কৈশোরদের খেলার মাঠে আনতে পারলে কমবে কিশোর গ্যাং ও শিশু অপরাধ প্রবণতা

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here