
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর বাউফলে তাকিয়া (২২) নামের এক নারীর গলায় ফাঁস দিয়ে রহস্যময় মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের ইন্দ্রকূল গ্রামের রামনগর হাওলাদার বাড়ির হোসেন হাওলাদারের মেয়ে তাকিয়া (২২)। নয় মাস পূর্বে মেয়েকে উপজেলার বিলবিলাস গ্রামের গাজী বাড়ির ফজলু গাজীর ছেলে মিরাজ গাজীর সাথে বিবাহ দেয়া হয়। স্বামী মিরাজ গাজী ঢাকায় সিটের ব্যবসা করেন।
মেয়ের চাচাতো ভাই জাকির হোসেন বলেন, বিবাহের ২/৩ মাস পরেই তাকিয়াকে তার স্বামী বিভিন্নভাবে নির্যাতন শুরু করেন। প্রায়ই তাকে মারধর করেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার (৭.৫.২০২৪) সকাল ১০:৩০ টায় তাকিয়াকে ব্যাপক মারধর করে নির্যাতন চালায়, পরে গলায় কাপড় পেচিয়ে ফাঁস দিয়ে মারার নাটক সাজানো হয়। আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই। তিনি আরো বলেন, আমরা মামলা করতে গেলে, মামলা নেয়া হয়নি। বলা হয়, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী নেয়া হবে।
এদিকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন পরিস্থিতি খারাপ দেখে ঔ নারীকে বাউফল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাউফল থানার ওসি শোণিত কুমার গায়েন বলেন, আমরা খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ থানায় নিয়ে আসি। মেয়ের বাবা-মা লাশ নিতে চাইলে আমরা ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ হস্তান্তর করতে পারি না বলে তাদের জানিয়ে দেই। প্রশ্নের এক পর্যায়ে তিনি (ওসি) বলেন, বাউফল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে গলায় ফাঁসের আলামত পেয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের জন্য আমরা লাশটি পটুয়াখালীতে রেফার করেছি। নির্যাতনে মারা গেছে নাকি অন্য কারনে তা রিপোর্ট পেলে পরে জানা যাবে। তবে মেয়ের শ্বশুর বাড়ি থেকে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।













