
আল ফাহাদ,স্টাফ রিপোর্টার দুমকি পটুয়াখালী
পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে তিন দিন যাবত অনশননে বসেছে চাঁদনী নামের এক তরুণী।
মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় গিয়ে দেখা যায় উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে হারুন আর রশিদ মাস্টারের বাড়িতে তার ছেলে হাসান মাহমুদ সাজনকে বিয়ে করার দাবিতে চাঁদনী নামে এক মে অনশন করছে। রবিবার সকাল ৯টা থেকে প্রেমিক হাসান মাহমুদ সাজনের বাড়িতে অনশন শুরু করেন ওই প্রেমিকা চাদনী।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনরত প্রেমিকা চাঁদনী জানান। চার বছর আগ থেকে সাজনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক। নিয়মিত দেখা সাক্ষাত করতেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বছরের পর বছর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা করে আসছে গত ৫ মাস যাবৎ সাজিন সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। আজকের শুনতে পাই সাজিন অন্য মেয়েকে বিবাহ করতে বাড়ি এসেছে। আমি এ বাড়িতে আসার পর সাজিন আমাকে দেখেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। আমি সাজনের ঘরের সামনে গেলে সাজনের মা, ফুফু ও বোন তিন জনে আমাকে মারধর করে।
অভিযুক্ত হাসান মাহমুদ সাজনকে মোবাইলে ফোন করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সাজনের পিতা হারুন আর রসিদ মাস্টার জানান, আমার ছেলের সাথে এই মেয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। আমার ছেলেকে ফাঁসানোর জন্য এই মেয়েটি এসেছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, উক্ত ঘটনায় চাঁদনী আক্তারের মা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করছে। ছেলে বর্তমানে পলাতক অবস্থায় আছে।










