
তাছলিমা আক্তার,রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি:
গত ১৩ জুলাই রোজ বুধবার নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার শ্রীনগর ইউনিয়নের গজারি এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুগ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় খালেক হাজীর ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠেছে প্রতিপক্ষ লোকের উপর।
১১আগস্ট রোজ বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গেলে খালেক হাজীর মেয়ে জানান,যারা ঝগড়াতে ছিল না তাদের হত্যা মামলার আসামী করা হয়েছে। মামলায় গ্রেফতার আতঙ্কে আসামীরা এলাকা ছাড়ায় প্রতিপক্ষের লোকজনেরা ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।একপর্যায়ে টাকা না দিলে বাড়ি ঘর ভেঙে ফেলার ভয় দেখিয়ে প্রতি বাড়ি থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ও করেন তিনি।এ ব্যাপারে শ্রীনগর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি হাজী আঃ খালেক গত ১৩ জুলাই ঘটনার সময় তিনি এলাকায় নয় হসপিটালে ছিলেন বলে দাবী করে জানান, এলাকা থেকে ফোনের মাধ্যমে জানতে পারি ঝগড়ায় একজন মারা গেছেন।তিনি আরো জানান,এলাকায় একটি পক্ষের লোকজন বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে লুটপাট করে নিয়ে যায় এবং কিছু কিছু বাড়ি থেকে চাঁদা দাবী করেছেন।
স্হানীয়রা জানান,সাবেক ইউপি সদস্য শাহ আলম সমর্থকরা বর্তমান ইউপি সদস্য আঃখালেক হাজীর সমর্থকদের কাছে চাঁদা দাবী করলে এতে রাজী না হলে আঃ খালেক হাজী সমর্থক মাইনউদ্দীন,মজিবর,মানিক মিয়া,চাঁন মিয়া,সুরুজ মিয়া,মনির মিয়া,জজ মিয়া,জাহার আলী,বাচ্চু মিয়ার ঘরসহ আরো কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করে। উল্লেখ্য, হত ১৩ জুলাই গজারিয়াকান্দি এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে মফিজ উদ্দিন নিহত হয়।সে ওই গ্রামের মৃত মিজান মিয়ার ছেলে ও সাবেক ইউপি সদস্য শাহআলম দলের লোক ছিলেন।শ্রীনগরে ৩ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য আঃ খালেক হাজী ও সাবেক ইউপি সদস্য শাহআলম গ্রুপের মাঝে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমান ইউপি সদস্য আঃ খালেক হাজী বলেন,আইনপ্রসাশনের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমার এলাকার শান্তিপূন পরিবেশ সৃষ্টি করার আহবান জানান।
রায়পুরা থানার উপ-পরিদর্শকমো:আতাউর রহমান বলেন,চরের এই সংঘর্ষে ২৫ জন পুলিশ গজারিয়াকান্দি গ্রামে সার্বিক ভাবে টহল দেওয়া হচ্ছে। এলাকার বর্তমান পরিস্হিতি স্বাভাবিক আছেন বলে তিনি জানান।





