
কাজী মাহতাব উদ্দিন,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী জেলা শহর এর সাথে সড়ক পথে বাউফল, দশমিন ও গলাচিপার জনগণের ভোগান্তি রোধে ২০১১ সালের ৯ নভেম্বর লোহালিয়া সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১৪ সালের ২০ অক্টোবর সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিলো।
শুরুর দিকেই সেতুর উচ্চতা নির্ধারণসহ নির্মাণ কাজ নিয়ে একের পর এক জটিলতা তৈরি হওয়ায় একদিকে নির্মাণ ব্যয় বেড়েছে। অন্য দিকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ক্ষোভ দেখা দিয়েছে নদীর দুই পারের বাসিন্দাদের মধ্যে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদচেয়ারম্যান বলেন, এলাকর মানুষ নদী পার হয়ে জেলা শহরে যাতায়াত করতে হয়। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি শিকার হতে হয়। এলজিইডি সূত্রে জানায়, শুরুতে লোহালিয়া সেতুর উচ্চতা বিআইব্লিউটি অনুমোদন দেয় ৯.৫৭ মিটার। সেই অনুযায়ী সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছিলো।
অন্যদিকে পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের ফলে ভবিষ্যতে লোহালিয়া নদী দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করবে। লোহালিয়া সেতুর উচ্চতা কম হওয়া তখন সেতুর কাজ বন্ধু করা হয়ে ছিলো।
পটুয়াখালী এলজিইডির কার্যলয়ের সূত্রে বলা হয়েছে সেতুর উচ্চতা বাড়িয়ে মাঝ পিলারে ১০৭ মিটার দৈর্ঘ্য ইস্পাতের কাঠামো বসানো হবে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ইস্পাত নির্মাণ কাজ চলোমান রয়েছে।
এদিকে সেতুর নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা এবং ইস্পাতের কাঠামো নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছে ২১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ইতিমধ্যে মূল সেতু নির্মাণ কাজ ৯৯ ভাগের বেশি শেষ হয়েছে। নির্মাণ কাজ শেষ হলে পটুয়াখালী সদরের সাথে গলাচিপা, দশমিনা, বাউফল ও ভোলার লালমোহন উপজেলাসহ আশপাশ এলাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক পথ স্থাপিত হবে। আগামী জুনের মধ্যে লোহালিয়া সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।





