
উখিয়া উপজেলার আওতাধীন শৈলরঢেবা চন্দ্রোদয় বৌদ্ধ বিহারের পরিচালক ও বহুগুণের অধিকারী গুরুদেব কুশলায়ন মহাথের'র ৫ জন শিষ্যকে একসাথে “মহাথের” অভিধায় অভিষিক্ত করে সারাদেশে এক অনন্য দৃষ্টি স্থাপন করেছে। কে শ্রী জ্যোতিসেন মহাথের'র এক বক্তব্যে ফুটে উঠেছে কিভাবে স্বল্প খরচে বিশাল প্রয়োজনীয় কাজ করা যায়।
যে ৫ জন ভিক্ষুকে মহাথের অভিধায় অভিষিক্ত করা হয়েছে তারা হলেন, জ্যোতিপাল মহাথের অধ্যক্ষ লোহাগাড়া চেদিরপুনি নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহার, কে শ্রী জ্যোতিসেন মহাথের অধ্যক্ষ রামু রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহার, জ্যোতি প্রজ্ঞা মহাথের অধ্যক্ষ মধ্যরত্না রত্নাংকুর বৌদ্ধ বিহার, জ্যোতি লংকার মহাথের, জ্যোতি লায়ন মহাথের অধ্যক্ষ পূর্বরত্না আনন্দ বৌদ্ধ বিহার। এই পূজনীয় ভিক্ষু সংঘদের সীমিত ভাবে বরণ করা হয়েছে “মহাথের” তবে একসাথে ৫ জন ভিক্ষুকে “মহাথের” অভিধায় অভিষিক্ত করা তাও আবার একই গুরুর তা সারাদেশে এক অন্য ভাবে উঠে এসে এবং অতীত, বর্তমান মিলে এটি এক রেকর্ডের বুকে নাম উঠে গেছে।
এসময় রামু রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহারের পরিচালক কে শ্রী জ্যোতিসেন মহাথের বলেন “ভিক্ষু জীবনে ১০ বছর সাধনার পর সম্বোধন করা হয় "থের"। আর থের জীবনে আরো ১০ বছর পার করে সর্বমোট ২০ বছর পবিত্র ভিক্ষু জীবনে অবস্থান করেই আজ "মহাথের" অভিধায় অভিসিক্ত। এটি একটি আমার ত্যাগময় ব্রহ্মচর্য জীবনের পরম প্রাপ্তি। এই অনুষ্ঠানে একসাথে একই গুরুর ৫ জন শিষ্যকে মহাথের অভিধা প্রদান করা হয়েছে একদম অনাড়ম্বর আয়োজনে। বর্তমান সময়ে যেখানে একজন ভিক্ষুর মহাথের বরণ অনুষ্ঠানে অর্ধকোটি টাকার বাজেট হয়, সেখানে আজ একসাথে ৫ জন ভিক্ষুর মহাথের বরণ এই অনুষ্ঠানে ছিল না কোন লক্ষ লক্ষ টাকার বাজেট, বিশাল প্যান্ডেল ও হাজার লোকের খাবারের আয়োজন। অধিকন্তু মহাথের বরণ অনুষ্ঠানে দায়কেরা স্বেচ্ছায় যা শ্রদ্ধাদান দিয়েছে তার সিংহভাগ টাকা ব্যয় করা হয়েছে ১৯০ জন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানে। কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি জন্মদাতা মাতাপিতা, ভিক্ষু জীবনের দাতা গুরুদেব ও শুভানুধ্যায়ী সকল কল্যাণমিত্রদের প্রতি”।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)