
মো: শাহজামাল,ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি
বর্ষার লাগাদার বৃষ্টিতে মাঠ-ঘাট পানিতে ভরে উঠে। প্রকৃতি ফিরে পায় নতুন জীবন। সবুজের সমারোহ চারদিকে ভেসে বেড়ায়, এ যেন এক নতুন দিগন্ত। কিন্তু এ নতুন প্রয়াস যেন মানুষের চলাচলের জন্য কাঁদামাক্ত পথ আজ পথের কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হে আমি বলছি, শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ৩নং ওর্য়াডের বনকালী গ্রামের যাতায়াতের রাস্তার কথা। ঝিনাইগাতী ব্রিজপাড় থেকে মেইন রোড পাড় হয়ে যখনই বনকালী গ্রামের দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় ঠিক অল্প কিছু পাকা রাস্তা পাড় হলেই- তিন রাস্তার মোড়ে এবং গ্রামের মেইন প্রবেশ পথে কাঁদামাক্ত হয়ে নাজেহাল অবস্থা। এ গ্রামের রাস্তার ফটক দিয়ে বনকালী, গজারীপাড়া, মরিয়মনগর, বারুয়ামারীসহ বিভিন্ন গ্রামের হাজার হাজার মানুষ দৈনিক চলাচল করে । সামপ্রতিক ঘনবৃষ্টির কারণে এবং প্রতিবছর এ বর্ষা মৌসুমে রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে যেতেও ভয় কাজ করে, কখন কোন দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়াও গাড়ি চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে এ রাস্তা দিয়ে, কারণ রাস্তার মাঝে বিভিন্ন ধরনের গর্ত ও কাদামাক্ত হওয়ার জন্য গাড়ি চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। গ্রামের জনসেবক ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব, আমিনুল ইসলাম (বাদশা) সাহেবের তত্ত্বাবধানে পর্যায়ক্রমে মেইন রোড থেকে কিছু রাস্তা পাকাপোক্ত করা হয়। এছাড়াও তিনি তাহার দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় কর্তব্য এরিয়াতে সাধ্যমত কাজ করে যাচ্ছেন । তাতেও এর খুব একটা সমাধান হচ্ছে না।
দীর্ঘদিন যাবৎ বনকালী গ্রামের এ রাস্তার সমাধানের জন্য বিভিন্ন মহলে অবগত করা হলেও আজ অব্দি এর কোনো পূর্ণাঙ্গ সমাধান গ্রামবাসী পায়নি। তাই গ্রামের জনসাধারণের একটাই দাবি বনকালী গ্রামের রাস্তাটা পরিপূর্ণ ভাবে পাকাপোক্ত করা হোক। এতে করে গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষের কৃষিজ সরঞ্জাম ও বিভিন্ন পণ্য জনগণের যাতায়াতের ব্যবস্থা সহজলভ্য ও উপকৃত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন গ্রামবাসী।





