
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এক সৌদি প্রবাসীর পরিবার। উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের চর-এতমামপুরের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী জাহিদুল ইসলামের পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল (১৯ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার সকালে প্রবাসী জাহিদুল ইসলামের ঘর থেকে রুপার অলঙ্কার হারিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তারই আপন সহোদর ভাই রবিউল ইসলাম ও ভাতিজা শান্ত মিলে প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই কণ্যাকে পিটিয়ে নীলাফোলা জখম করে।
জাহিদুল ইসলামের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,চর-এতমামপুরের তক্কেল আলীর দুই ছেলে জাহিদুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম। জাহিদুল সাত বছর আগের সৌদিতে পারি জমানোর পর থেকে তার স্ত্রী ও তিন কণ্যার উপর নানাভাবে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করা আসছে তারই আপন সহোদর ভাই ও ভাতিজা।
প্রবাসী জাহিদুলের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন বলেন, আমার স্বামী বিদেশে যাওয়ার পর থেকে আমার ভাসুর ও তার ছেলে মিলে নানাভাবে হয়রানি জুলুম করে আসছে আমার ও আমার মেয়েদের উপর। ইতিপূর্বে আমার ঘর থেকে টাকা ও অলঙ্কার চুরি হয়েছে বেশ কয়েকবার। আমার ভাসুরের ছেলে শান্ত এই চুরি গুলো করে তা আমি প্রমাণসহ শান্তর বাবার কাছে বললে তিনি ছেলের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো আমার ও আমার মেয়েদের মারধর করে। আমি আমার পরিবার নিয়ে এখন জান-মাল রক্ষার শঙ্কায় আছি,তাই আমি প্রশাসনের সহযোগিতা চায়।
জাহিদুল ও রবিউলের পিতা তক্কেল আলী বলেন,আমার বড় ছেলে রবিউল ও তার ছেলে ভাল মানুষ না,আমার ছেলে রবিউল এই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে পাঁচ-ছয় দিন আমার গায়েও হাত তুলেছে। রবিউল ও তার ছেলে শান্তর এখন গোটা পরিবারের জন্য আতঙ্ক তাই তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানান বৃদ্ধ তক্কেল আলী।
জাহিদুল ইসলামের বড় জামাই মোঃ চান্নু মোল্লা বলেন,এই পরিবারের বড় জামাই হয়ে আসার পর থেকে দেখছি আমার চাচা শশুর ও ছেলের দ্বারা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত। এখন আমি একটু প্রতিবাদ করায় আমাকেও জীবননাশের হুমকিসহ নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছি। আমি তাদের এহেন কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চায়।
এবিষয়ে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আকিবুল ইসলাম জানান, আমি ইতিমধ্যে একটি সাধারণ ডায়েরী মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি,সুষ্ঠু ও সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)