
আজ ১৩ জানুযারী বৃহষ্পতিবার সকাল ৯ টা থেকে ৯.৪০ টা পর্যন্ত সাংবাদিকদের একটি দল ১৪২ নং মাটি ভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে এসব অভিযোগের কথা জানতে পারে। এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায় যে, প্রধান শিক্ষক ফারহানা আক্তার প্রায়ই স্কুলে দেরি করে আসেন এবং মাঝে মাঝে স্কুলে না গিয়েও পরের দিন এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। এ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানাযায় যে, রগচটা এই প্রধান শিক্ষিকা চরমুগরিয়া ২ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকাবস্থায় প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মেরে আহত করার পরে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাকে কোন শাস্তি না দিয়ে প্রথমে ২ মাস মেডিকেল ছুটি ও পরে স্কুলে যোগদান না করিয়েই ঘরে বসিয়েই বেতন দিতে থাকেন। এর পরে তাকে শাস্তি না দিয়ে বিএড প্রশিক্ষণে পাঠিয়ে দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ
বিষয়টি জানার পরে গত ১৫ মার্চ-২০২০ খ্রীঃ ফারহানা আক্তারকে প্রশাসনিক বদলী করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ডিজি অফিস থেকে নির্দেশ দেওয়া হলেও ওই প্রধান শিক্ষকের সাথে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সখ্যতা থাকায় তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। স্থানীয় প্রশাসন তার অপকর্মের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার রহস্যজনক কারনেই তিনি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে অনেকের ধারনা। শুধু তাই নয় এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন। স্কুলের পাশের বাসিন্দা মনির ঢালী ও ভ্যান চালক বাদল খান বলেন ম্যাডাম সবসময় স্কুলে আসেন না। মাঝে মাঝে আসেন এবং তাড়াতাড়ি চলে যান। আপনারা কিছু বলেন না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন যারা বলতে পারে তারাই কিছু বলেনা আর আমরা কি বলব। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষিকা সাংবাদিকদের বলেন আপনারা আমার স্কুলে কার অনুমতি নিয়ে আসছেন, আমার স্কুলে আসতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে। তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানাবেন বলেও সাংবাদিকদের হুমকি দেন। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মসিউর রহমান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার রাশিদা খাতুন এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দিন আহম্মেদ ভিন্ন ভিন্ন ভাবে মোবাইলে বলেন তারা বিষয়টি দেখবেন।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)