
মোঃ আল ইমরান,স্টাফ রিপোর্টার নেত্রকোনা
স্বাধীনতার এতো বছর পরও কেন এই উপজেলায় তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও কেন এই উপজেলায় কোনো উন্নয়ন হয়নি, জানতে চায় এই উপজেলাবাসী। স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলাদেশ বির্নিমাণ তাঁর অসমাপ্ত কাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে অবহেলিত জনপদের উপজেলাতে সম্পন্ন করার মাধ্যমে পূর্বধলা উপজেলাকে ঢেলে সাজাতে চান নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন এবং নেত্রকোনা-৩১৭ আসনের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ড. নাদিয়া বিনতে আমিন সিআইপি।
জানা গেছে, দলের একাধিক নেতাকর্মী তাদের প্রতিক্রিয়ায় জানান, আহমদ হোসেন এই আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন। সেই বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পূর্বধলা আসনে যোগ্য নেতার হাতেই নৌকার বৈঠা তুলে দিয়েছেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আহমদ হোসেন টানা ৫ম বারের আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিবিদের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ইউনিয়ন পর্যায়ের ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে। তিনি উপজেলা পর্যায়ে নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি, পূর্বধলা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তিনি স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তিন বারের সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, জামায়াত-বিএনপি জোট সরকারী বিরোধী আন্দোলনসহ যেকোনো আন্দোলনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শে লালিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ হোসেন বাল্যকাল থেকে জাতির পিতার আদর্শের কথা শুনে নিজেকে জাতির পিতার আদর্শের সৈনিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ফলশ্রুতিতে স্কুল জীবনেই নিজেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত করেছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে থাকা আওয়ামী লীগের হাল ধরেন তার সাথে।
সূত্রমতে জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-৫ আসনে আহমদ হোসেনকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা করার পর সাধারণ ভোটারদের মধ্যে পুরনোসহ হিসেব নিকেশ পাল্টে যেতে শুরু করেছেন। আহমদ হোসেনের পক্ষে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের ভোটাররা তখন প্রচারণায় মুখরিত করে তুলেছেন পূর্বধলা উপজেলার প্রতিটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। তুখোর এই নেতাকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা, এবার বুঝি ভাগ্য ফিরবে পূর্বধলাবাসীর। তার পক্ষে তার সমর্থকরা ঘুরে বেড়িয়েন নির্বাচনী এলাকায়।
তখন নৌকার মনোনীত প্রার্থী আহমদ হোসেন বলেন, উন্নয়নের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাকে নৌকা প্রতীক উপহার দিয়ে পাঠিয়েছেন জনগণ তাদের ভোটাধিকারের মাধ্যমে পূর্বধলা উপজেলাকে অবহেলিত মুক্ত উপজেলা হিসেবে দেখতে চায়। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলাদেশ বির্নিমানের অসমাপ্ত কাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে অবহেলিত জনপদের পূর্বধলা উপজেলায় সম্পন্ন করার মাধ্যমে ঢেলে সাজাতে চাই।
এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নেত্রকোনা -৩১৭ সংসদীয় নারী আসনের সংসদ সদস্য ড. নাদিয়া বিনতে আমিন সিআইপি এমপি ও তার সাথে যোগ দিয়েছেন এই উপজেলার উন্নয়নের অংশীদার হতে। ড. নাদিয়া বিনতে আমিন সিআইপি এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়তে আমরা দুই ভাই-বোন সব সময় প্রস্তুত আছি। এই উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করতে চাই। এই উপজেলার সকল জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করতে চাই। অবহেলিত এই উপজেলার সকল প্রকার কাজ করে এই উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা গড়তে চাই। পরিশেষে আমি একটি কথা সবাইকে বলতে চাই আমরা জনগণের সেবা করতে এসেছি। জনগণের পাশে থেকে কাজ করতে এসেছি তাই সকলের সহযোগিতা চাই।





