
একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বাংলাদেশী ক্রিকেট ইতিহাসের সব ব্যাটসম্যানকে টপকে দ্রুততম ২০০০ রান পূরণ করেন সৌম্য সরকার। মাত্র ৬৪ ম্যাচ খেলে সৌম্য ২০০০ রান পূর্ণ করেন। এছাড়া দ্রুততম ২০০০ রান করা বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের তালিকায় দুই নাম্বারে আছেন লিটন দাস। এ রান করতে লিটন দাসের ৬৫ ম্যাচ খেলতে হয়েছে। এরপরেই আছেন শাহরিয়ার নাফীস। নাফীসও সমান ৬৫ ম্যাচ খেলে ২০০০ রান পূর্ণ করেন। নাফিসের পরে চার নাম্বার অবস্থানে আছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সাকিব ৬৯ ম্যাচে ২০০০ রান পূর্ণ করেন।
চট্রগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওডিআই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে অপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে ৬৬ বলে ৬৮ রানের এক চমৎকার ইনিংস খেলেন সৌম্য সরকার। এর মধ্যদিয়ে নিজের ওডিআই ক্যারিয়ারের ৬৪ তম ম্যাচেই ২০০০ রান স্পর্শ করেন সৌম্য। প্রথম অভারেই লিটন দাসের উইকেট পড়ে গেলে, নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে ৭৫ রানের পার্টনারশিপ গড়েন সৌম্য। দলীয় ৭৫ রানে শান্ত আউট হলে তাওহীদ হৃদয়ের সাথে পার্টনারশিপ পড়েন সৌম্য। ৫৫ রানের পার্টনারশিপে দলীয় ১৩০ রানে সৌম্য ফিরেন। তারপর মুশফিক, মেহেদী, তানজিম সাকিব ও তাসকিনের সাথে ধারাবাহিক পার্টনারশিপে ২৮৬ রানের দলীয় স্কোরে অবদান রাখেন তাওহীদ হৃদয়। তাওহীদ হৃদয় ৯৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন।
প্রায় ১০ বছরের ক্যারিয়ারে সৌম্য সরকার অনেক সিরিজে বাদ গেছেন। আবার যখন সব অপেনার ব্যর্থ হয়েছেন আবার সৌম্যকে দলে নেওয়া হয়েছে। দলে ডুকা আবার বাদ যাওয়া এটা যেন সৌম্যর নিয়মিত কাজ। কিন্তু এবার নতুন কোচ চন্দ্রিকা হাথুরাসিংহে দলে এসেই সৌম্যকে নিয়ে কাজ করছেন। সৌম্যকে দলে নিতে যখন টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে সিরেক্টর সবাই নারাজ। ঠিক তখন হাথুরাসিংহে এক রকম জোর করেই সৌম্যকে দলে ফেরায়। তারপর প্রেকটিসে কোচ সৌম্যর রসায়ন নিয়মিত দেখা যায়। সৌম্যর ফর্মে ফেরার পিছনের নায়ক কোচ হাথুরাসিংহে। যিনি সবার বিপক্ষে গিয়ে সৌম্যর উপর বিশ্বাস রেখেছেন। তাই এই মাষ্টার মাইন্ডকে সৌম্য ভক্তরা ও ক্রিকেটপ্রেমীরা ধন্যবাদ দিতেই পারেন। কারণ সৌম্য ফর্মে ফেরা বাংলাদেশ দলের জন্য খুবই ভালো খবর।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)