
ছৈয়দুল আমিন সাঈদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজারে অবৈধভাবে টমটম লাইসেন্স নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র। যার প্রকৃত অটো চালক (টমটম ড্রাইভারদের) নিজস্ব লাইসেন্স নিয়ে অটো চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সকল ধরনের লাইসেন্স বাতিলসহ নতুন করে পেশাদার চালকদের লাইসেন্স করে দেয়ার দাবিতে বিশাল মানববন্ধন ও অনশন কর্মসূচি পালন করেছে কক্সবাজারে পেশাদার টমটম চালক শ্রমিকরা।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে টমটম লাইসেন্স বাণিজ্যের নৈরাজ্যের কারণে দিশেহারা অবস্থায় ছিল চালকরা। প্রতি লাইসেন্স একসময় ২ হাজার টাকা দিয়ে নিলেও এখন প্রতিটি লাইসেন্স বিক্রি হয় ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকায়। আর এসব লাইসেন্স বিভিন্ন চালকদের ভাড়া দিয়ে প্রতিমাসে ৬ হাজার টাকা করে নেওয়া হয় বলে দাবী করেন। তবে এসব অবৈধ পন্থায় লাইসেন্স দেয়ার বিষয়ে সাবেক মেয়র মুজিবুর রহমান ও মেয়র মাবুর মাধ্যমে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। একজনের নামে ১০টি থেকে শুরু করে ২০ টিরও বেশি লাইসেন্স দখলে রেখেছে। তারা প্রত্যেক লাইসেন্সগুলো তারা অবৈধভাবে ভাড়া দিয়ে কোটি কোটি টাকার পাহাড় গড়েছেন।
তবে এসব লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে টমটম চালকসহ বিভিন্ন পেশা শ্রেণির মানুষ খেপে উঠেছে। এরই প্রেক্ষিতে আজ রবিবার সকাল দশটায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়েে সামনে এক বিশাল মানববন্ধন ও অনশন কর্মসূচি পালন করেছে জেলা টমটম চালক শ্রমিক জনতা। এতে টমটম চালক ড্রাইভার শ্রমিক জনতার পক্ষে অনেক শ্রমিক। নেতার নিজ নিজ অবস্থান থেকে বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে বক্তারা তাদের দাবী নিয়ে বলেন, আজ থেকে অবৈধভাবে টমটম লাইসেন্স বাণিজ্যি বন্ধ করতে হবে। প্রতিটি পেশাদার চালককে নতুন করে সহজভাবে লাইসেন্স দিতে হবে। অপেশাদার কেউ লাইসেন্স ভাড়া দিয়ে অহেতুক ফায়দা লোটে নিতে পারবেনা। আর পুরোনো সকল প্রকার লাইসেন্স অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবেই। অন্যতায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দিয়েছেন জেলা টমটম চালক শ্রমিক জনতারা। এসময় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের মূল ফটক দীর্ঘ দুই থেকে তিন ঘন্টা অবরোধ করে রাখে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ অটো চালক টমটম শ্রমিকরা।
সর্বশেষ তাদের সর্বোচ্চ ন্যায্য দাবী আদায়ের জন্য টমটম চালক সমিতির নেতৃবৃন্ধরা চালকদের পক্ষ থেকে কক্সবাজার জেলাপ্রশাসক শাহীন ইমরান বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপি প্রদানকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক শাহীন ইমরান ইতিমধ্যে বিষয়টি সুরাহা করার সর্বোচ্চ আশ্বস্ত করেছেন। পরবর্তী তাদের এই অনশন কর্মসূচি থামিয়ে তাদের নিজ কর্মস্থলে ফিরিয়ে যান।





