
মো. তৌফিকুর ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি আমতলী বরগুনা
বরগুনার আমতলী পৌরসভাসহ সাতটি ইউনিয়নে দাদন ও সুদ ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠেছে। দাদন ও সুদ ব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়ে অনেকেই এখন সর্বশান্ত। সমাজের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ দাদন ও সুদের ব্যবসা চালাচ্ছে। গ্রামের দরিদ্র পরিবারের অনেকেই বিভিন্ন সমস্যার কারণে শতকরা ১৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা হারে সুদ দিয়ে টাকা গ্রহন করে। টাকা নেয়ার সময় সাদা ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নেয়। পরে লাভের টাকা দিতে কোন প্রকার অসুবিধায় পড়লে স্বাক্ষর করা ষ্ট্যাম্পে ইচ্ছামত টাকার অংক বসিয়ে সহজ সরল মানুষকে বেকায়দায় ফেলে।
দাদন ও সুদ ব্যবসায়ী এলাকায় গড়ে তুলেছে বিভিন্ন নামের সমবায় সমিতি এসব সমবায় সমিতির নামে পরিচালিত হচ্ছে চড়া সুদের দাদন ব্যবসা। আর এদের খপ্পরে পড়ে প্রতিনিয়ত সর্বশান্ত হচ্ছে দরিদ্র মধ্যবৃত্ত পরিবারের মানুষজন। এমনকি ঋনের টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে অনেকেই পরিবারে দাম্পত্য জীবনে কলহ, বাবা-ছেলের মধ্যে ঝগড়া লেগেই আছে। মহাজনের সুদের টাকা পরিশোধ করতে আগাম মাঠের ফসল বিক্রি করে সুদের টাকা পরিশোধ করা হয়। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনের কোন উন্নতি না হয়ে অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। অপরদিকে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারন ও গরীব শিক্ষকের চেক বন্ধক নিয়ে চড়া সুদে দাদন ব্যবসা করছে এক শ্রেনীর সুদ ব্যবসায়ী। দাদন ও সুদের ব্যবসা বন্ধের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ভূক্তভোগিরা।
এ ব্যাপারে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আশরাফুল আলম মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





