
জাকির হোসেন সরদার,বিশেষ প্রতিনিধি পাংশা রাজবাড়ী
রাজবাড়ীর পাংশায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিএনপি’র ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হলো। অনুষ্ঠানটি দুপুর ২ টায় আরম্ভ হবার কথা থাকলেও সকাল থেকেই খন্ড খন্ড মিছিল আকারে দলীয় নেতাকর্মীরা ইউনিয়ন এবং পৌরসভার ওয়ার্ড পর্যায়ে থেকে আসতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাংশা শহরের প্রাণকেন্দ্র টেম্পু স্ট্যান্ডে জন জমায়েতের ব্যাপকতা প্রকাশ পায় এবং দুপুর বারোটার মধ্যেই জনস্রোতে পরিণত হয়। যোহরের নামাজ পরবর্তী শোভার্যালি আরম্ভ হয় এবং তা শহরের প্রধান রাস্তাগুলো প্রদক্ষিণ করে আবার টেম্পু স্ট্যান্ডে ফিরে আসে। অস্থায়ী ট্রাকের উপর মঞ্চ তৈরি করে দ্বিতীয় পর্বের আয়োজন বক্তৃতা পর্ব শুরু হয়। উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি জনাব চাঁদ আলী খানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রিঙ্কুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন রাজবাড়ী জেলে বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী বাবু, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি বাহারাম হোসেন সরদার, থানা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপি’র সম্পাদক রইচ উদ্দিন খান, পৌর সাংগঠনিক ইউসুফ মন্ডল, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সবুজ সরদার, থানা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক রুহুল আমিন, থানা ছাত্রদল সভাপতি শামিম আহমেদ রুবেল, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরীফ সহ থানা এবং পৌর বিএনপি,যুবদল ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবদল সহ সমস্ত ইউনিটের নেতাকর্মীর পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি’র সভাপতি,সেক্রেটারিদ্বয় মূল্যবান বক্তব্য রাখেন। এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনাব হারুনুর রশিদ হারুনকে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে এমপি নির্বাচনে জয়ী করতে সমস্ত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ রাজবাড়ী জেলা বিএনপি’র দুই বারের সাধারণ সম্পাদক জনাব হারুন অর রশিদ হারুন ৭ই নভেম্বরের গুরুত্ব ও মূল্যবান তাৎপর্য তুলে ধরেন। এবং পাংশার যে সমস্ত নেতাকর্মীরা ৫ই আগস্টের পূর্বে বিএনপি’র দুঃসময়ে পাশে ছিল না, এবং যারা আজ সু-সময়ে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে দলের দুর্নাম ডেকে আনছেন তাদেরকে অচিরেই শক্ত হাতে দমন করা হবে মর্মে ঘোষণা দেন। তিনি আরো বলেন এই সকল ভন্ডরা পায়ে পা দিয়ে গ্যাঞ্জাম করতে চাইবে তাই আমাদের সাবধানে পা ফেলে আগামী নির্বাচন অব্দি যেতে হবে। তবুও কেউ যদি গায়ে পড়ে এসে ঝগড়া করতে আসে সেখানেও সংযমের পরিচয় দিতে হবে। অন্যান্য বক্তাদেরও সবার মুখে একই আওয়াজ বারবার উচ্চারিত হয়। এ সময় অধিকাংশ বক্তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনাব হারুন অর রশিদ হারুনকে এমপি বানাতে একযোগে কাজ করে যাবে বলে একাত্মতা প্রকাশ করেন। সবশেষে সভাপতির ঘোষণা মধ্যে দিয়ে সভার পরিসমাপ্তি ঘটে।