
বরগুনার আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ঘোপখালী গ্রামের মোঃ আব্দুর রহমান সোমবার দুপুরে আমতলী উপজেলা প্রেসবøাব কার্যালয়ে জমিজমা জালজালিয়াতী কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
ভুক্তভোগি আব্দুর রহমান তার লিখিত বক্তব্য বলেন আমি বিগত ২১ জুলাই ২০২০ইং তারিখে ২১৫৬নং দলিল, ২৪ আগষ্ট ২০২০ইং তারিখে ২৭১৮নং দলিল, ১৮ জানুয়ারী ২০২১ইং তারিখে ৪৩৩৮নং দলিল মূলে জে.এলঃ ৩২, মৌজাঃ আরপাঙ্গাশিয়া, এস.এঃ ৩১৮, ৩১৯, ৩২০, ৩২১নং খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক জেন্নাত আলীর ওয়ারিশগণের নিকট থেকে ৬৬ শতাংশ জমি ক্রয় করি এবং শান্তি পূর্ন ভাবে ভোগ দখলে আছি। জেন্নাত আলীর বাকী জমি তার ওয়ারিশগণ ভোগদখল করে।
কিন্তু আমার জমি জমা জাল জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের জন্য আরপাঙ্গাশিয়া ইউপির ০৫নং ওয়ার্ডেও বর্তমান চৌকিদার আব্দুল খালেক গাজী ৩য় মুনসেফী আদালতের ২৩৭/৬৭নং দেওয়ানী মোকাদ্দমার রায় ডিগ্রী বলে এস.এঃ ৩১৮, ৩১৯, ৩২০, ৩২১নং খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক জেন্নাত আলীর সম্যক অংশ ১.৫৩ একর জমি ৮৯০-আম/২০২০-২১ইং নং ই-নামজারী কেসের মাধ্যমে সৃজিত ৭৬১নং খতিয়ান খোলে। ২৩৭/৬৭ রায় ডিগ্রী বলে যে নামজারী খতিয়ান খোলা হয়েছে সেটি দিয়ে আমার বাড়ী-ঘর, খেত-খামারে হামলা চালিয়ে আমাকে ভিটা ছাড়া করা প্রচেষ্টা চালায় এবং বলে যে তুমি যে জমি ভোগ দখল করিতেছো সেই জমির আদালতের রায় আমার বাবার নামে তুমি এই বাড়ী-ঘর ছাড়িয়া অন্যত্রে চলিয়া যাও অন্যথায় প্রান নাশের হুমকি প্রদান করে।
তখন আমি দিশেহারা হয়েপরি এবং ২৩৭/৬৭নং মামলা সর্ম্পকে খোজখবর নিতে থাকি। আমি পটুয়াখালী জজ কোর্ট থেকে রেজিষ্ট্রার সই মোহর সংগ্রহ করি। একপর্যায়ে আমি জানতে পারি যে, ২৩৭/৬৭নং দেওয়ানী মামলায় বাদী কালা গাজী ও বিবাদী জেন্নাত আলী জড়িত নয়। এই মামলায় বাদী হচ্ছে গয়জদ্দীন এবং বিবাদী এসহাক। তখন আমি বুঝতে পারি জালিয়াতির মাধ্যমে আমার জমি জমা আরপাঙ্গাশিয়া ইউপির ০৫নং ওয়ার্ডের বর্তমান চৌকিদার আব্দুল খালেক গাজী আত্মসাৎ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এরপর আমি ৮৯০-আম/২০২০-২১ইং নং ই-নামজারী কেসের বিরুদ্ধে ১৫০ ধারায় সহকারী কমিশনার ভূমি, আমতলী মহোদয়ের কাছে মিস কেস করি। বিজ্ঞ সহকারী কমিশনার ভূমি মহোদয়ের খালেক চৌকিদার গং এর কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখতে পান যে তারা যে মামলার রায়ের বলে নামজারী করিয়াছেন সেই রায় জালিয়াতীর মাধ্যমে তৈরী করা তখন সহকারী কমিশনার ভূমি, আমতলী মহোদয় তাদের নাম জারী বাতিল করে আদেশ প্রদান করেন।
খালেক চৌকিদার আমার জমি জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ ও হয়রানী করার উদ্দেশ্যে জজ কোর্টে জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরী করা রায় ডিগ্রী দিয়ে বন্টন মামলা করেছেন এই প্রতারক খালেক চৌকিদার এর অসৎ উদ্দেশ্য আপনারা তদন্ত পূর্বক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে এর মুখোষ উন্মচন করা দরকার ।ন যাতে করে এই প্রতারক চক্র জাল দলিল, জাল রায় দিয়ে কোন মানুষকে সর্বশান্ত করতে না পারে।
ভূক্তভোগি আব্দুর রহমান বলেন আমি গরীর মানুষ অসহায় মানুষ আমি জালজালিয়াতীর হোতা খালেক চৌকিদার ও তার সাঙ্গ পাঙ্গদের কঠিন বিচার চাই।
এ বিষয় খালেক চৌকিদার বলেন, এ ঘটনায় আমি আদালতে মামলা দায়ের করেছি এর চেয়ে বেশি কিছু বলবেন না বলে জানান।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: 01783952169 (whatsapp)