
মোঃ নাঈম বিল্লাহ,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা আবদুল মোতালেব হাওলাদার গং, হামেদ খান ওরফে হাফেজের নিকট থেকে ১.৬৩ একর জমি ক্রয় করেন। ক্রয়-পরবর্তী সময়ে নানা প্রতিকূলতার কারণে প্রায় দীর্ঘ এক যুগ ধরে তিনি জমিটি ভোগদখল করতে পারেননি। পরবর্তীতে আইনি সহযোগিতায় মোতালেব হাওলাদার গং উক্ত জমি ভোগদখল করে আসছেন।
আমতলী থানায় দেয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স¤প্রতি স্থানীয় মহিউদ্দিন গং আদালতের আদেশ অমান্য করে উক্ত জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং বীজতলা নষ্ট করে আনুমানিক ৩০হাজার(ত্রিশ হাজার)টাকার ক্ষতিসাধন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. নুুেজ্জামান (৪০) বলেন“এটি আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। আমার বাবা বৈধভাবে এ জমি ক্রয় করেছেন, যাহার দলিল নং ২৪৮২/২৪৮২। এখন আদালতের আদেশ অমান্য করে মহিউদ্দিন গং জোরপূর্বক আমাদের জমি দখলের চেষ্টা করছে। এতে আমি চরমভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছি। এঅবস্থায় তিনি প্রশাসনের সঠিক সহযোগিতা কামনা করেন।
ঘটনাস্থলেগিয়ে দেখা যায়, মহিউদ্দিন গং বিরোধীয় জমিতে টিলার দিয়ে চাষাবাদ করছে। এ সময় উপস্থিত অভিযুক্ত সোনা মিয়া হাং (৪৩) দাবি করেন “যারা জমি দখলের অভিযোগ করছে তাদের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এ জমি আমাদের সম্পত্তি, আমরা চাষ করছি।
এছাড়াও প্রধান অভিযুক্ত মো.মাইনুদ্দিন বলেন, নুরুজ্জামানের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তিনি পূর্ব শত্রুতা বসত এসব করছে। এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মোতালেব হাং গং শান্তিপূর্ণভাবে জমি ব্যবহার করে আসলেও সমপ্রতি এ নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মহিউদ্দিন গং বীজতলা নষ্ট করে ফসলি জমি দখলের চেষ্টা করছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
আমতলী থানার এ এস আই মো. মাইনুদ্দিন চৌধুরী বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলছে দোষীদেও বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।





