প্রেমের টানে শ্রীলঙ্কান যুবক জয়পুরহাটের মেয়েকে বিয়ে করলেন

0
91

বিশেষ প্রতিনিধি জয়পুরহাট:

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: প্রেমের টানে হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে শ্রীলংকা থেকে এক যুবক বাংলাদেশের জয়পুরহাটে এসে বিয়ে করেছেন শ্রীলংকার নাগরিক রোশন মিতন (৩৩) নামে এক যুবক।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জেলা জয়পুরহাট নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে এফিডেফিটের মাধ্যমে এ বিয়ের ঘোষণা দেন। এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর জয়পুরহাট সদরের উত্তর পাথুরিয়া গ্রামের রাহেনা বেগমকে (৩৫) বিয়ে করেন তিনি।

জানা গেছে, ২০১৪ সালে রাহেনা জর্ডানে গিয়ে একটি কোম্পানীতে চাকরি করতেন। ওই কোম্পানীর সুপাইভাইজার পদে ছিলেন শ্রীলংকার যুবক রোশান। সেখানেই তাদের পরিচয় হয়। তারপর প্রেম। গত দেড় বছর আগে যুবক তার নিজ দেশে ফিরলেও জয়পুরহাটের রাহেলা বেগম দেশে ফিরেন এ বছরেই। রাহেনা বেগম বলেন, ছোট বেলায় আমার বিয়ে হয়, সেখানে একটি বাচ্চাও আছে। এরই মধ্যে ২০১৪ সালে জর্ডানে যাই। সেখানে থাকেই স্বামী আমাকে ডিবোর্স দেয়। পরে আমার ওই কোম্পানীতে সুপাইভাজার পদে চাকরি করতেন রোশান। তার সাথে পরিচয় ঘটে এবং প্রেমের সম্পর্ক হয়। গত দেড় বছর আগে রোশান তার নিজ দেশ শ্রীলংকান চলে যায়। আর এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আমি নিজ দেশে চলে আসি। এর মধ্যে মোবাইলে আমাদের কথা হতো। তার পরিবারের সাথেও আমার কথা হয়েছে। সম্প্রতি রোশান জয়পুরহাটে আসে আমার পিতা গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে এলাকার মৌলভী দিয়ে এক লাখ টাকা দেন মোহর ধার্য করে আমাদের বিবাহ সম্পূর্ণ করিয়ে দেন ও ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এভিডেভিড এর মাধ্যমে বিয়ের ঘোষণা করা হয়।

তিনি আরো বলেন, যার মাধ্যমে আমাদের প্রেম সফল এবং আমরা দুজন দুজনকে বিয়ে করতে পেরেছি । আমাদের জন্য সবাই আশীর্বাদ করবেন। আমরা যেন সারাজীবন একসঙ্গে থাকতে পারি। বর রোশান মিতন বলেন, ‘কর্মরত অবস্থায় রাহেনা বেগমকে আমি খুব পছন্দ করতাম। নিজে বাংলাদেশের তার বাড়ীতে এসে পরিবারের সম্মতিতে তাকে বিয়ে করেছি। এ দেশে নাগরিক হয়ে থাকতে চাই। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। এ বিষয়ে জয়পুরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, “শ্রীলংকান নাগরিক জয়পুরহাটে এসে এক মেয়েকে বিয়ে করছেন আমি শুনেছি ও বিশেষ শাখা থেকে অবগত হয়েছি।


প্রেমের টানে শ্রীলঙ্কান যুবক জয়পুরহাটের মেয়েকে বিয়ে করলেন

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here