
আব্দুস সাত্তার,কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:
লাইব্রেরী রুমে পানি খাওয়ার অপরাধে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিল গুণধর শিক্ষক
শ্যামনগরের উপকূলীয় ৯ নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের ১০৩ নম্বর সেন্ট্রাল আবাদ চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী আনিসা আক্তারকে বেধড়ক পিটিয়ে বাম হাতের দুই জায়গায় ভেঙে দিয়েছে এক নরপিশাচ শিক্ষক। অপরাধ ছিল প্রচন্ড পানি পিপাসা লাগার কারণে তারা লাইব্রেরীতে গিয়েছিল পানি খেতে। শিক্ষক এটি ভালোভাবে নেননি। একসঙ্গে ছয় সাত জন কেন লাইব্রেরীতে প্রবেশ করল তাই ক্ষেপে গিয়ে বেপরোয়া মারপিট শুরু করলেন ওই গুণধর শিক্ষক। শিক্ষকের নাম এস এম শহিদুল ইসলাম। আবাদ চন্ডিপুর বনবিবি তলার মৃত নুরবান সরদারের পুত্র তিনি।
গত শনিবার ১ আগষ্ট ২ টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। মেয়েটি বর্তমানে শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। প্রত্যেক অবিভাবক তার প্রাণপ্রিয় সন্তানদের শিক্ষা লাভের জন্য বিদ্যালয়ে পাঠান। আগেকার দিনের গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থার ধরন এখন পাল্টে গিয়েছে। লাঠি সোঠার ব্যবহার সেতো অনেক আগেই বদলে গিয়েছে এখন আনন্দ দানের মধ্যে শিক্ষা প্রদান এই পদ্ধতি বাংলাদেশে চলমান। তারপরেও কেন এই লাঠির নির্দয় ব্যবহার এ প্রশ্ন এখন এলাকায় মানুষের মুখে মুখে। পানি খাওয়ার অপরাধে ওই দিন আরো ৭ জনকে পিটিয়ে জখম করা হয়।।
আনিসার পিতা আবুল হোসেন জানান, আমার মেয়ে বরাবরই মেধাবী ছাত্রী। পঞ্চম শ্রেণীতে সে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। এবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।তিনি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।













