
শাহরিয়ার রহমান শফি,বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি:
গতানুগতিকভাবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এত দিন ধরে হাজিরা খাতায় লেখার প্রচলন চলে আসছে। বিজ্ঞান প্রযুক্তির এই আধুনিক যুগে এখন থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বায়োমেট্রিক যন্ত্রে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি গ্রহণ করার লক্ষ্যে দেশজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংযোগ করা হয়েছে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন। বিয়ানীবাজার উপজেলার প্রথম পর্যায়ে মোল্লাপুর ইউনিয়নের পাতন আব্দুল্লাহপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপন করা হয়েছে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির এই মেশিন।
পাতন আব্দুল্লাহপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু তাহের বলেন, ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণের সাথে শিক্ষকরাও সঠিক সময়ে স্কুলে আসতে পারছেন। এখন থেকে বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে বা পরে কেউ স্কুল ত্যাগ করতে পারছেন না। শিক্ষার্থীরাও সঠিক সময়ে স্কুলে আসতে বাধ্য হচ্ছে। এতে করে বিদ্যালয়ে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গিয়ে বাড়ছে তাদের উপস্থিতির সংখ্যা। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানেও অনিয়ম বন্ধ হবে।
ফিঙ্গার প্রিন্টের প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্কুলে প্রবেশ ও প্রস্থানের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে এসএমএস মাধ্যমে চলে যাবে অভিভাবকদের মুঠোফোনে। অভিবাকরা সহজে জানতে পারবেন শিক্ষার্থীদের অবস্থান।
পূর্বে ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণে বাড়তি সময় ব্যয় হতো। কিন্তু এই পদ্ধতিতে ক্লাসরুমে হাজিরা দিতে গিয়ে বাড়তি সময় ব্যয় হচ্ছে না। স্বল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা সহজেই ফিঙ্গার প্রিন্ট প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারছেন বলে উৎফুল্ল প্রকাশ করেন তারা।
বিয়ানীবাজার উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ রকম হাজিরা মেশিন চালু করা হবে এমন প্রত্যাশা সচেতন মহলের।





