স্বাধীনতার সংগ্রামের মুল সনদপত্র থেকেও সরকারি ভাতা পাচ্ছেন না বীর মুক্তিযোদ্ধা মতলুবুর

মো: রবিউল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি লালমনিরহাট

মহান স্বাধীনতার ৫২ তম বছর পেরিয়ে গেলো। আজ বাংলাদেশ স্বাধীন। বাঙালি জাতি পেলো একটি লাল সবুজ পতাকা। পৃথিবীর ইতিহাসে সব চেয়ে অল্প সময়ের মধ্যে স্বাধীন হওয়া দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ৬ নং সেক্টরে অংশ গ্রহণ করেছিলেন ১৯৫৪ সালে রংপুরে জন্ম নেওয়া মতলুবুর পিতা সোলায়মান হোসেন, গ্রাম হারাটী, থানা কোতোয়ালি জেলা রংপুর। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে এনে দিয়েছেন একটি লাল সবুজের পতাকা।

দেশ রক্ষা বিভাগ, স্বাধীনতা সংগ্রামের মুল সনদ পত্রে মহান স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহম্মদ আতাউল গনি ওসমানির সাক্ষরিত সনদ থাকলেও সরকারি ভাতা সহ কোন সুবিধা পাচ্ছেনা এই ভোক্তাভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি জানান, জীবন বাজি রেখে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আহবানে সেদিন যুদ্ধে গিয়েছিলাম। আমার মুল সনদ থাকা সত্বেও ভাতা পাচ্ছি না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তি যোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করেছেন। মুক্তি যোদ্ধাদের বীর নিবাস করে দিয়েছেন। বৈশাখি ভাতা, ঈদ বোনাস, মাসিক সম্মানি, বিভিন্ন জাতীয় দিবসে বোনাস সহ সরকারি বিভিন্ন সুবিধা দিয়েছেন। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নিজ হাতে অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করেও আজ ও পেলাম মুক্তি যুদ্ধের সম্মানি ভাতা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি কিছু চাইনা, আমি আপনার বাবার ডাকে যুদ্ধ করেছি, কোন কিছুই পাওয়ায় আশায় নয়। আপনি যখন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এত সম্মান দিলেন তাহলে আমি কেন আপনার দেওয়া সুবিধা থেকে বঞ্চিত হব। দয়াকরে আপনি আমার সরকারি ভাতা চালু সহ যাবতীয় সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মতলুবুর বলেন, আমি আশাবাদী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে নিরাশ করবেন না। কারন ওনি যে মুজিব ভাইয়ের বেটি। সরকারি ভাতা না পেয়ে হতাশ এই বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। পরিবারের পক্ষ থেকে আকুল আবেদন সঠিক কাগজ যাচাই বাছাই করে ভাতা চালু করনের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি বিশেষ আহবান জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা মতলুবুরের সন্তানেরা।


স্বাধীনতার সংগ্রামের মুল সনদপত্র থেকেও সরকারি ভাতা পাচ্ছেন না বীর মুক্তিযোদ্ধা মতলুবুর

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here