কুমারখালীর হাজী কিয়ামত আলী বিশ্বাস -গেদিরন নেছা এতিমখানায় মিলন উৎসব।

মোঃ শামীম খন্দকার,কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

“মানবিক কাজে সাহসী হই সকলেই” আসুন সমাজের কাজ করি মানুষের কল্যাণে কাজ করি, নিজেকে সত্যি কারের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের প্রতি আন্তরিক হতে হবে। উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সমাজকর্মী জিল্লুর রহমান মধু। “যার বাবা নেই তার কাছে পৃথিবীর অর্ধেক নেই যার মা নেই তার চেয়ে বড় অসহায় কেউ কেউ” এতিম কথাটি শুনলেই মনের অজান্তেই এক নমনীয়তা কাজ করে। এতিম শিশুরা যে কতটা অসহায় সেটা বুঝতে গেলে অনেক সময় গবেষণা করতে হয়!

২০ অক্টোবর শুক্রবার সকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সদকী ইউনিয়নের গড়াই নদীর তীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা খয়েরচারা হাজী কিয়ামত আলী বিশ্বাস -গেদিরন নেছা বালিকা এতিমখানায় অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সেখানে ২০১৭ জন এতিম বালিকাদের অভিবাবকদের নিয়ে মত বিনিময়, উপহার সামগ্রী প্রদান, বিনোদন ও উন্নত মানের খাবার‌ পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়।হামদ নাত, গান নিজেদের মধুর কন্ঠে গেয়ে শোনান উক্ত এতিমখানাটির শিশুরা। জুম্মার নামাজ শেষে খাবারের টেবিলে সকলেই একাকার হয়ে যায় দেখা বোঝাই মুশকিল কে এতিম আর কে স্বাভাবিক! আলোচনা পর্বে অংশ গ্রহণ করেন কয়েকজন এতিমের অবিভাবক।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাজী কিয়ামত আলী বিশ্বাস -গেদিরন নেছার নাতিছেলে আশরাফুল আলম হিরো। সেসময় উপস্থিত ছিলেন হাজী কিয়ামত আলী বিশ্বাস -গেদিরন নেছার পুত্র মোতালেব বিশ্বাস, মসিউর রহমান চুন্নু, হাজী কিয়ামত আলী বিশ্বাস-গেদিরন নেছা বালিকা এতিমখানা ও শিশু পরিবারের সমন্বয়নকারী ও কুমারখালী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সমাজকর্মী জিল্লুর রহমান মধু, সমাজকর্মী মোঃ আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক এম এ ওহাব প্রমুখ।

কাতার চ্যারিটির বাস্তবায়নে নির্মিত এই এতিমখানাটির জন্য প্রায় ৫ বিঘা জমি ২০১৬ সালে এতিমখানাটির জন্য দান করেন হাজী কিয়ামত আলী বিশ্বাসের সহধর্মিণী গেদিরন নেছা। নর এনজিও বর্তমান এতিমখানাটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।


কুমারখালীর হাজী কিয়ামত আলী বিশ্বাস -গেদিরন নেছা এতিমখানায় মিলন উৎসব।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

0FansLike
3,912FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles