
প্রসেনজিত বড়ুয়া,উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
২০.০৪.২০২৩ ইং রোজ বৃহস্পতিবার দিনটি ছিল বহু গুণের অধিকারী কে শ্রী জ্যোতিসেন ভিক্ষুর জন্মদিন সেই সুবাদে সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটা নিজের করে নিয়েছেন এই ভিক্ষু, সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে এই ভিক্ষুকে ঘিরে এবং একটু ঘেঁটে দেখা যায় ২০.০৪.২০২৩ইং রোজ বৃহস্পতিবার রাত ১২:০০ টায় পর থেকে শুরু হয়েছে এই বার্তা এবং তা সকাল পেরিয়ে সারাদিন ও সন্ধ্যা এককথায় দিনটা শুধু নিজের করে নিয়েছিল এই ভিক্ষু। মূলত ভক্ত ও অনুসারীদের একের পর এক শুভেচ্ছার সিক্ত হয়েছেন এই বহু গুণের অধিকারী ভিক্ষু।
এক বিশ্বস্ত সূত্রমতে জানতে পারি ১৯৮২ সালে ২০ এপ্রিল, রোজ: শুক্রবার, বিশিষ্ট কীর্তনীয়া প্রবীন বড়ুয়া ও মমতাময়ী মাতা শ্রীমতি আংকুবালা বড়ুয়ার সংসারে জন্মগ্রহণ করেন কে শ্রী জ্যোতিসেন ভিক্ষু পরিবারের ৭ ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ৬ষ্ঠ। তিনি উখিয়া উপজেলা আওতাধীন কুতুপালং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি বহু গুণের অধিকারী এই যেমন কয়েকটা উদাহরণ তিনি বনাশ্রম, জ্যােতিসেন উচ্চ বিদ্যালয়, মা-বাবা বৃদ্ধাশ্রম, হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে এক অনন্য দৃষ্টি স্থাপন করেছে । তিনি ধর্মীয় কাজের পাশাপাশি ২০২২ সালে ‘জ্যোতি ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করে সরকারি নিবন্ধনের মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র ও আহার, চিকিৎসা এবং শিক্ষা প্রসারে কাজ করে চলেছেন।
কে শ্রী জ্যোতিসেন ভিক্ষু ২০০৫ সালে ঘুমধুম রেজুতে ৩০ বিঘা জমির উপর একটি গ্রীণ টেম্পল ও ২০১৪ সালে কক্সবাজার সদর কলাতলীতে ১০ গন্ডা জমির উপর হোয়াইট টেম্পল, ২০২০ সালে রাজাপালং দক্ষিণ ফলিয়া পাড়া সারিপুত্র গ্রামে রেবতপ্রিয়-জ্যোতিসেন বৌদ্ধ বিহার এবং ২০২১ সালে স্বীয় জন্মভূমি উখিয়া কুতুপালং গ্রামে ১ একর জমির উপর গোল্ডেন টেম্পল প্রতিষ্ঠা করেছেন।
এছাড়া তিনি মূলত রামু রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহারের পরিচালক ও একই বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ, কে শ্রী জ্যোতিসেন ভিক্ষু রামু রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহারে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদানের পর থেকে আর পিছনে ফিরে থাকাতে হয় নাই, তিনি তার সর্ব্বোচ্চ পরিশ্রম দিয়ে এবং দেশ দেশের বাইরের নানান ধার্মিক উপাসকদের নিয়ে দূরর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়েছেন রামু রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহারকে। বর্তমানে এই বিহারটি সারাদেশে এক অনন্য, দূরদূরান্ত থেকে এই বিহারটিকে একবার নিজ চোখে দেখার জন্য আসে অসংখ্য উপাসক এছাড়া দেশ ও দেশের বাইরের নানান রাজনৈতিক ব্যাক্তিরা-ও আসে এই বিহারটি নিজ চোখে দেখার জন্য এবং মূলত সবাই আসে মন থেকে শ্রদ্ধা সরণ করতে।
তাই তো বহু গুণের অধিকারী এই ভিক্ষুর জন্মদিনে মানুষের বাড়তি শুভেচ্ছার ঢল ছিল, নানান রকমের নানান মানুষের নানান রকম শুভেচ্ছা ছিল এবং সবমিলিয়ে হাজার হাজার মানুষ শ্রদ্ধার সাথে মন থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই মহান ভিক্ষুকে।










