
রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের বরকত নামের রো-রো ফেরি থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন বাধন মোল্লা (২৯) নামে এক যুবক। নদীর তীব্র স্রোতে পদ্মায় ভেসে যাচ্ছিলেন বাধন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পদ্মা নদীর দৌলতদিয়া প্রান্তে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ফেরিঘাটের মাছের ব্যবসা করেন চান্দু মোল্লা। হঠাৎ তার নজরে আসে এক যুবক পদ্মায় ভেসে যাচ্ছেন। দ্রুত একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে ছোটেন মাঝ পদ্মায়। জীবিত উদ্ধার করা হয় বাধন নামের যুবককে। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসার পর জানা যায় বাধন ফেরিতে ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত। গণধোলাই থেকে প্রাণে বাঁচতে নদীতে ঝাঁপ দেয় বাধন।
বাধন বরগুনা জেলার তালতলি এলাকার মালেক মোল্লার ছেলে।
ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, আমি দোকানে বসে ছিলাম। হঠাৎ দেখি একজন মানুষ নদীতে ভেসে যাচ্ছেন। সে বাঁচার আকুতি করছেন। পরে আমি আমার ভাই মমিনকে নিয়ে একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করি। পরে জানতে পারলাম ওই ব্যক্তি ছিনতাইকারী। বিষয়টি জানার পর আমি তাকে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশের কাছে সোপর্দ করি। মানবিকতার জায়গা থেকে আমি কাজটি করেছি।
দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সেপেক্টর সিরাজুল করিব বলেন, দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকে পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় রো-রো ফেরি বরকত। সেই ফেরি থেকে নদীতে লাফ দেয় যুবক বাধন। স্থানীয় চান্দু শেখ তাকে উদ্ধার করেন। বর্তমানে সে আমাদের হেফাজতে আছেন।