
মোঃ আল ইমরান,স্টাফ রিপোরটার নেত্রকোনা
নেত্রকোনার মদনে চেতনা নাশক ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে পুরো পরিবারকে অজ্ঞান করে মা, মেয়ে কে ধর্ষণের চেষ্টা করায়, কাকন মিয়া (৩৫) সহ ২ জনের নাম উল্লেখ করে মদন থানায় এক অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী গোলাপ মিয়া (৪৫) বাদী হয়ে। উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
গত (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে পরিকল্পিতভাবে খাবার পানির সাথে মিশিয়ে ঘুমের চেতনা নাশক ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে পুরো পরিবারকে অজ্ঞান করে, পরে অভিযুক্তরা ঘরে ডুকে মা-মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে
মেয়ের ডাক চিৎকারে পালিয়ে যায় তারা। এ বিষয়ে জানার জন্য উপজেলা মাঘান ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামে, সরে জমিনে গিয়ে আশেপাশের প্রতিবেশী লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, (৪ সেপ্টেম্বর) রোজ সোমবার দিবাগত রাতে আনুমানিক ৩ টার দিকে গোলাপের মেয়ের ডাক চিৎকার শুনে উঠে দেখি গোলাপের ঘরের দরজা ভাঙ্গা অবস্থায়, ঘরের বেড়ার নিচে পিনকোদাঁই করা, পাশের বাড়ি কাকনের সাথে দোস্তা দোস্তি হয়েছে গোলাপের মেয়ের। ঘরের ভিতরে ঢুকে দেখি, পুরো পরিবারেই মেয়েটা বাদে, অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছে পরিবারের লোকজন।
ভুক্তভোগী পরিবারটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন রয়েছে। গোলাপ মিয়ার স্ত্রী শাহনাজ পারভীন (৪০) এর অবস্থা আশঙ্কাজনক জনক হওয়ায় তাকে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত কাকন মিয়া বলেন, গোলাপ মিয়ার কাছে আমি ১৫ হাজার টাকা পাই, এই সুবাদে তাদের ঘরে গিয়েছিলাম আমি সন্ধ্যা বেলায় (গোলাপ) বাড়িতে না থাকায় ঘন্টা খানিক সময় তাদের ঘরে অপেক্ষা করে, পরে চলে আসি । চেতনা নাশক ঔষধ পানির কলসি’র সাথে প্রয়োগের মাধ্যমে মা, মেয়ে দুজনকে ধর্ষণের চেষ্টার বিষয়ে জানতে চাইলে বলে, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।
পুরো পরিবারকে অজ্ঞান করে, মা, মেয়েকে ধষর্ণের চেষ্টার বিষয়ে জানতে চাইলে, মদন থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তাওহীদুর রহমান তিনি দৈনিক একুশে নিউজকে বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





