
ক্রাইম রিপোর্টার পটুয়াখালী
পটুয়াখালী জেলাধীন গলাচিপা উপজেলার মোঃ সোহরাব হোসেন, পিতাঃ আলতাফ হোসেন জোমাদ্দার গ্রাম,সুহরী, ইউনিয়ন আমখোলা।
নিম্ন তফসিল বর্ণিত সম্পত্তির সম্পত্তি ক্রয় সূত্রে বর্তমান মালিক মোঃ সোহরাব হোসেন। গত ২৬/০৮/২০২৩ ইং তারিখ সকালে অনুমান ৯ টার সময় আমি আমার ভোগ দখলীয় ১.৫৬ একর জমি চাষাবাদ এর জন্য গেলে সকল বিবাদীগণ ১,মোঃ সবুজ মোল্লা ২, হারুন মোল্লা ৩, মোঃ আলম চৌকিদার, ৪, মোঃ মেনাজ জোমাদ্দার ৫, ইলিয়াস চৌকিদার ৬,সুমন চৌকিদার ৭, রেজাউল চৌকিদার পরস্পর লাঠিয়াল, দাঙ্গাবাজ সর্দার প্রকৃতির লোক। সর্ব সাং – শৈলাবুনিয়ার ৬ নং ওয়ার্ড ইউনিয়ন আমখলার ডাকঘর – বাঁদুরা উপজেলা – গলাচিপা, জেলা পটুয়াখালী, কর্তৃক ধাড়ালো দা, লোহার রড ইত্যাদি প্রকার নাশক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাকে জমির চাষাবাদী বাধা দিয়া খুন যখম করিবার উদ্যত হয়।বিবাদীরা ডাকশোরে বলেন জমি চাষাবাদ করিতে আসিলে ছাব খুন করিয়া ফালাইবো জমিতে রক্তের বন্যা বসাইয়া দিব এমনকি আমি কিছু জমি চাষাবাদ এর পর আমাকে ধাড়ালো দা সাপল দেশি অস্ত্র দিয়ে খুনের হুমকি দিয়ে জমি থেকে উঠাইয়া দেয়। আমি প্রতিবাদ করলে বিবাদীগণ আরো ক্রাধানিত হয়ে আমাকে খুন যখম কইবার উদ্দেশ্যে পায়তারা করলে আমি সেখান থেকে পলায়ন করি। পরক্ষণে আমার চাষ করা জমির উপর বিবাদীরা জোরপূর্বক রোয়া রোপন করে। এমোতো অবস্থায় আমার ভোগ দখলের জমি বিবাদী যাহাতে জোরপূর্বক ভোগ দখলে নিতে না পারে, তার জন্য সালিশ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কাওসার হোসেন গলাচিপা পটুয়াখালী। তাহার নিকট ন্যায় বিচার পাওয়ার আবেদন প্রেরন করেছেন মোঃ সোহরাব হোসেন।সোহরাব হোসেন বলেন উক্ত জমির রেকর্ডীয় মালিক মেহের জান বিবি। মেহেরজান বিবির মৃত্যুতে ওয়ারিশ মমিন গাজীর মৃত্যুতে ওয়ারিশ পুত্র লালু গাজী ও জয়নাল গাজী। লালু গাজী ও জয়নাল গাজী সরকারি কমিশনার ভূমি গলাচিপায় নামনজারি কোস নং -১৬ জি/১৯৯২-৯৩ সালে রেকর্ড করা দলিল মূলে নিম্ন তফসিল বর্ণিত জমির মালিক হইয়া আমি মোঃ সোহরাব হোসেন বহু বছর যাবত ভোগদখল করিয়া, চাষাবাদ কোরিয়া জীবিকা নির্বাহ করিয়া আসিতেছি। বর্তমান বছরে উক্ত জমি চাষাবাদ করিয়া ইরি ধানের বীজ বপন করিয়াছি।
ভূমিদস্যু কর্তৃক তীব্র নির্যাতনের শিকার হয়ে, তাদের উপযুক্ত বিচার পাওয়ার প্রত্যাশায় তিনি একথা বলেন। অভিযুক্ত সবুজ মোল্লার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সমস্ত আরফ স্বীকার করে, মোঃ সোহরাব হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে বলেন তিনি একজন দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি প্রকৃতির লোক। কয়েক যুগ ধরে আমাদের দখলে থাকা জমি নিজের দাবি করে এই মিথ্যা অভিযোগ করেছেন তিনি, তাকে বারবার শালিশের প্রস্তাব করল তিনি আসেননি। অভিযুক্ত মোঃ মেনাজ জমাদ্দারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে সংবাদ কর্মীরা। অভিযুক্ত আলম চৌকিদার এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মোঃ সবুজ মোল্লার সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। এলাকাবাসী সহ ভুক্তভোগী পরিবারটি ন্যায়বিচার প্রত্যাশা।





