
ছৈয়দুল আমিন সাঈদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
রামু গর্জনিয়ায় ৯নং ওয়ার্ড় মৌলভীকাটার মো ফরিদ মিয়ার পুত্র মো আলীর ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে, একই এলাকার মো শফির পুত্র ইমাম হোসেন ও মোহাম্মদ ইলিয়াস সহ ৪/৫ জন সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ ইমাম হোসেন ও তার ভাই মোহাম্মদ ইলিয়াসহ চার থেকে পাঁচজন সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন ধরে আমার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল এবং আমাদের বসতি ভিটা জোরপূর্বক দখল করার জন্য পায়তারা চালাচ্ছিল আমি টাকা দিতে না পারলে একপর্যায়ে তারা আমার উপর ক্ষেপে যাই বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
সন্তাসী বাহিনীর মাধ্যমে আমার বসতভিটা দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রতিনিয়ত, তখন থেকে আমাকে এবং আমার পরিবারকে মেরে পেলার হুমকি দেয়।
গত ২ই জুন রবিবার সকাল ১১ টার দিকে আমি আমার বসতভিটায় পারিবারিক কাজ করার সময় পুর্ব পরিকল্পীত ভাবে উৎপেতে থাকা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ইমাম হোসেনের নেতৃত্বে ৪/৫ জন সন্ত্রাসী হঠাৎ আমার উপর অতর্কিত হামলা করে।
এসময় তারা লোহার রড, দা, ক্রিস লাটি, নিয়ে আমার শরীরে বিভিন্ন স্হানে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় এবং মাথায় পায়ে হাতুড়ি দিয়ে মারাআত্মক জখম করে, আমার স্ত্রী আমাকে সন্ত্রাসীর হাত থেকে রক্ষা করতে আসলে তার ওপর হামলা চালায়।
এক পর্যায়ে আমি গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখলে স্হানীয় লোকজন এলাকাবাসী ঘটনা স্থল থেকে উদ্ধার করে আমার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে, এখন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছি।
এই বিষয়ে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী জানান, আমার স্বামী আমার বসতভিটায় কাজ করার সময় হঠাৎ ইমাম হোসেনের নেতৃত্বে ৪/৫ সন্ত্রাসী এসে আমার স্বামীর উপর অতর্কিত হামলা করে তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে দা, কিরিস, লোহার রড়, নিয়ে কোপানো হয়। এখন আমার স্বামী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে আমার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস আমার স্বামী, আয়ের উৎস বন্ধ হওয়াতে আমরা এখন পথে বসার অবস্থা।প্রশাসনের কাছে আমি আমার স্বামীর উপর হামলার সুষ্ঠু বিচার ও আমাদের নিরাপত্তা দাবি করছি।
তবে এই বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ইমাম হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ঘটনার সত্যতা প্রথমে শিকার করেন, পরে বিভিন্ন ভাবে ঘটনায় জড়িত ছিল না বলে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করে, এবং নিউজ না করার জন্য টাকা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।
ভুক্তভোগীর পরিবার কক্সবাজার রামু থানায় ৫ জনকে আসামি করে একটি এজহার দাখিল করেন। ভুক্তভোগী পরিবারে দাবি এসব সন্তাসীর বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানান।





