
হাসান আলী জনি,ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
বর্ষাকালে গ্রামের কাঁচা রাস্তাগুলো খানাখন্দ, গর্ত ও কর্দমাক্ত হয়ে যায়। এতে করে দুর্ভোগ পোহাতে হয় জনসাধারণের। আর এসব ব্যপারে নজর নেই জনপ্রতিনিধিদেরও। তেমনি অবহেলিত ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড এর ঘাগড়া চৌরাস্তা বাজার থেকে বুধবাড়িয়া কাঁচা রাস্তাটি।দেখলে মনে হবে, এটি রাস্তা নয় ধানের চারা রোপণের জন্য হাল চাষ করা হয়েছে। রাস্তাটির এমনই বেহাল দশা যে কোনো গাড়ি চলাচল করতে পারে না। এমনকি হেঁটে চলাচলেরও কোন অবস্থা নেই।
প্রতিনিয়তই চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় জনসাধারণ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী, কৃষক ও স্থানীয়রা। অত্র ০৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার সাইদুল রহমান ও ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর ইসলাম এই রাস্তার উন্নয়ন করার কথা থাকলেও এ রাস্তায় এখনো কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এতে করে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। যাত্রাসিদ্দি ০৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানান, গনবসতি এলাকা বহু মানুষের বসবাস ও চলাচলের রাস্তা এটি, এই রাস্তা দিয়েই আমাদের চলাচল করতে হয়। পুরো বর্ষায় কাদামাটি মাড়িয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করা আমাদের জন্য চরম কষ্টের।ছেলেমেয়েদের স্কুল কলেজে, কৃষকদের উৎপাদিত ফসল হাটবাজারে নিয়ে যেতে কষ্ট হয়, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে হলে কোলে করে নিতে হয়। রাস্তার বিষয়ে অনেকবার চেয়ারম্যান, মেম্বারদের কাছে অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। এলাকাবাসী নিজেরাই কয়েকবার রাস্তা নিজে মেরামত করেছে,আমাদের এলাকার কাঁচা রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য ময়মনসিংহ সদর ০৪ আসনের এমপি মোহিত উর রহমান শান্ত ও অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এলাকাবাসী আরো বলেন, রাস্তাটি জনবহুল এলাকায় অবস্থিত। এখানে রয়েছে স্কুল-মাদরাসা, মসজিদ, হাটবাজার, কিন্তু কাঁচা রাস্তার কারণে বর্ষায় চলাচল করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।স্থানীয়রা বলেন, জনগণ,ছাত্রছাত্রীদের কথা চিন্তা করে কাঁচা রাস্তাটি পাকাকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।





